নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী বৃহস্পতিবার চালু করলেন ‘ সৎ করদাতাদের সম্মান দিতে স্বচ্ছ কর ব্যবস্থা’। এর মাধ্যমে কর ব্যবস্থার সংস্কার জোরদার হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। কর প্রদানের ক্ষেত্রে এই প্লাটফর্মটি আরও সহজ করা হবে বলে বৃহস্পতিবার দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন এক্ষেত্রে কর ব্যবস্থায় তার নজর তিনটি শব্দের মধ্যে Seamless painless, faceless।

সৎ করদাতাদের সম্মানে দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম বলে উল্লেখ করে মোদী জানালেন, সব করদাতাদের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে জাতীয় উন্নয়নে। আর তার জন্য এক্ষেত্রে তিনি ফেসলেস অ্যাসেসমেন্ট ও ফেসলেস অ্যাপিলের পাশাপাশি করদাতাদের জন্য সনদের ব্যবস্থা হচ্ছে এই নয়া প্লাটফর্মে।
তিনি উল্লেখ করেন, এর মাধ্যমে বড় সংস্কার করা হচ্ছে কর ব্যবস্থায়। এই দিন থেকেই ফেসলেস অ্যাসেসমেন্ট এবং করদাতাদের সনদ চালু হলেও , ফেসলেস অ্যাপিল চালু করা হবে ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে বলে তিনি জানান।

নয়া‌ব্যবস্থা চালু করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, এটা এমন সময় যখন সংস্কার নিয়ে অনেক কথা বলা হচ্ছে। বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে চাপে পড়ে অথবা কিছু বাধ্যবাধকতায় যা সংস্কার হিসেবে বলা হয়েছে। এইজন্য আকাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি। কিন্তু ‌ এবারের ভাবনা এবং অভিমুখ উভয়েরই বদল ঘটেছে। করদাতাদের জন্য সনদ দেশের উন্নয়নের যাত্রার ক্ষেত্রে একটা বড় পদক্ষেপ বলে দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, ‌ প্রতিটি নিয়ম বিধি এবং নীতি যাতে জনগণ কেন্দ্রিক এবং জনগণ সহায়ক হয় তার দিকে জোর দেওয়া হয়েছে। এটাই নতুন প্রশাসনিক মডেলের ব্যবহারিক দিক এবং দেশ অবিলম্বে এর ফল পাবে।

অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন, এই নয়া ব্যবস্থা চালু হওয়ার আগেই সংস্কারকে একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ রূপে চিহ্নিত করা হবে যাতে সরল এবং স্বচ্ছ কর ব্যবস্থার আমলের দিকে এগিয়ে যাওয়া যায়।

এদিনের এই ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানটিতে বিভিন্ন বণিকসভা, ব্যবসায়ী সংগঠন, চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস এবং সুপরিচিত করদাতারা উপস্থিত ছিলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।