নয়াদিল্লি: করোনা গ্রাসে গোটা বিশ্ব। ভারতেও সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। সামনেই উৎসবের মরশুম। উৎসবের মরশুম শেষে দেশে করোনার সংক্রমণ আরও বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শনিবার দিনভর করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে বৈঠকে ব্যস্ত রইলেন প্রধানমন্ত্রী। ভ্যাকসিন বেরোলে কীভাবে দ্রুত তা রাজ্যে-রাজ্যে পৌঁছে দেওয়া হবে, তা নিয়েই আলোচনা সারলেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের আধিকারিকদের সঙ্গে।

গোটা বিশ্ব এখন তাকিয়ে করোনার ভ্যাকসিনের দিকে। যদিও রাশিয়া ছাড়া এখনও বিশ্বের কোনও দেশই করোনার ভ্যাকসিন আবিস্কারের ঘোষণা করেনি। যদিও রাশিয়ার তৈরি কোভিড ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় রয়েছে অনেক দেশের।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি ভারতেও করোনার ভ্যাকসিন বানাচ্ছে বেশ কয়েকটি সংস্থা। ইতিমধ্যেই ভ্যাকসিন তৈরির প্রথম কয়েকটি ধাপ সফলতার সঙ্গে পেরিয়ে এসেছে একাধিক সংস্থা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী দিন কয়েক আগেই জানিয়েছিলেন, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছরের শুরুতেই দেশে তৈরি একাধিক করোনার ভ্যাকসিন হাতে চলে আসবে।

করোনার ভ্যাকসিন কেন্দ্রের হাতে এসে গেলে তা কীভাবে রাজ্যে-রাজ্যে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বণ্টন করা যাবে শনিবার তা নিয়ে দফায়-দফায় বৈঠক সারলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভ্যাকসিন হাতে আসার পর দ্রুত রাজ্যে-রাজ্যে তা পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় সবরকম ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আধিকারিকদের দিয়েছেন মোদী।

করোনার ভ্যাকসিন

এছাড়াও করোনার ভ্যাকসিন কবে নাগাদ কেন্দ্রের হাতে আসতে পারে এদিন সেবিষয়েও বিস্তারিত খোঁজ-খবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে বিভিন্ন সংস্থার ভ্যাকসিনের ট্রায়াল ঠিক কোন পর্যায়ে রয়েছে বা আরও কতগুলি ধাপ সেই ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা প্রমাণে পেরোতে হবে এদিন তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেছেন মোদী।

এদিকে, দেশে করোনার দৈনিক সংক্রমণের গ্রাফ খানিকটা নিম্নমুখী। শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৬২ হাজার ২১২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১ হাজার কম।

এই নিয়ে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪ লক্ষ ৩২ হাজার ৬৮১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃতের সংখ্যাও খানিকটা কমেছে। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৮৩৭ জনের। দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ লক্ষ ১২ হাজার ৯৯৮।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।