হলদিয়া: প্রত্যাশা মতোই মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গোলা ছুঁড়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তাঁর ভাষণে মমতা দিদির শাসনে পশ্চিমবঙ্গ দেখছে ‘নির্মমতা’। পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া থেকে এমনই আক্রমণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

একদা অটলবিহারী বাজপেয়ীর অত্যন্ত স্নেহভাজন ও এনডিএ জোট শরিক তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা এখন মোদীর চোখে নির্মমতার উদাহরণ। বঙ্গ নির্বাচনের দোরগোড়ায় এসে সেই পুরাতন সাথীর প্রতি প্রধানমন্ত্রী মোদীর কটাক্ষ ঝরে পড়েছে।

মোদী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দারা মমতা দিদির উপর ভরসা করেছিল। তাঁর নেতৃত্বে পরিবর্তন এনেছিল। কিন্তু মমতার সরকারের প্রথম বর্ষেই প্রমাণ হয়ে গিয়েছিল প্রকৃত পরিবর্তন আসেনি। হিংসা, দুর্নীতির নতুন করে জন্ম হয়েছিল। মমতার শাসনের দশ বছরে নির্মমতা ফুটে উঠেছে।

কেন্দ্রে এনডিএ জোটের একদা নির্ভরযোগ্য শরিক তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারি বাজপেয়ী। সেই দৃশ্য এখনো তৃণমূল নেত্রীর ব্যক্তিগত সংগ্রহে রাখা আছে বলেই সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি।

অটল জমানার পর বিজেপি তে মোদী যুগ চলছে। এখন মমতা এনডিএ বিরোধী অবস্থানে। তাই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে ‘নির্মমতা’র উদাহরণ, এমনই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহল।

১৯৯৯ সালে মমতা বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটে সামিল হন। এই জোট সরকার গঠন করলে তিনি রেলমন্ত্রী হয়েছিলেন। ২০০১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এনডিএ ত্যাগ করেন। ২০০৪ সালে তিনি আবার এনডিএ-তে ফিরে আসেন এবং কয়লা ও খনি মন্ত্রকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। পরে ফের এনডিএ ত্যাগ করেন তিনি।

হলদিয়া এসে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে তৃণমূল নেত্রীকে ক্রমাগত আক্রমণ করেন। তিনি বলেন মা মাটি মানুষের কথা বলা সরকার, এখন ভারত মায়ের কথা শুনতে ও বলতে ভয় পায়। বাংলায় দিদিকে নিজেদের অধিকারের কথা বললেই তিনি রেগে যান। মমতা পরিবর্তনের আশ্বাস দিয়েছিলেন, কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। ২০১১ সালে মমতা সরকার এলেও কোনও পরিবর্তন আসেনি বাংলায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.