নয়াদিল্লি: আইপিএল খেলতে বিরাট কোহলি এখন সযুক্ত আরব আমিরশাহীতে৷ প্রথম ম্যাচ জিতে ফুরফুরে মেজাজে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর অধিনায়ক৷ বৃহস্পতিবার দুবাইয়ে কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামবে কোহিল অ্যান্ড কোং৷ কিন্তু তার আগে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে টেলিকনফান্সে ইয়ো-ইয়ো টেস্টের উপকারিতা বোঝালেন টিম ইন্ডিয়া অধিনায়ক৷

প্রধানমন্ত্রী মোদী ‘ফিট ইন্ডিয়া মুভমেন্টের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে ফিটনেস বিশেষজ্ঞ এবং প্রভাবশালীদের সঙ্গে আলাপচারিতা করছিলেন। ‘ইয়ো-ইয়ো টেস্ট’ কী, টিম ইন্ডিয়ার ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলির কাছে তা জানতে চান৷ শুধু তাই নয়, তিনি আরও জিজ্ঞাসা করেছিলেন ক্যাপ্টেন এটি পাস করতে হবে কিনা? নাকি সে রেহাই পেয়ে যায়?

মোদী জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘আমি শুনেছি দলের জন্য ইয়ো-ইয়ো পরীক্ষা হচ্ছে, এটি কী পরীক্ষা?’

অধিনায়ক বিরাট কোহলি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন তাঁকে বাধ্যতামূলক চলমান অ্যারোবিক ফিটনেস রুটিন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ইয়ো-ইয়ো টেস্ট কীভাবে ভারতীয় ক্রিকেটারদের উচ্চ-স্তরের ফিটনেস অর্জনে সহায়তা করেছিল।

কোহলি হাসিমুখে জবাব দেন, ‘এই টেস্টটি ফিটনেস দৃষ্টিকোণ থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা যদি গ্লোবাল ফিটনেস স্তর নিয়ে কথা বলি, তবে অন্যান্য দলের তুলনায় আমাদের ফিটনেস স্তর এখনও কম৷ আমরা এটি গ্রহণ করতে চাই৷ এটির প্রাথমিক প্রয়োজনীয়তা রয়েছে৷’

ইয়ো-ইয়ো টেস্ট ব্যাখ্যা করে কোহলি জানান, এই রুটিনে দু’ সেট কোন রাখা থাকে৷ যার মধ্যে দূরত্ব থাকে ২০ মিটার৷ একবার বিপ বাজানোর পরে, একজন অ্যাথলিটকে পরের বিপ শোনার আগে অন্যদিকে চিহ্নিত স্থানে পৌঁছাতে হবে এবং তৃতীয় বিপ শোনার আগে যেখানে শুরু করেছিলেন সেখানে ফিরে যেতে হবে।

ভারতীয় ক্রিকেট দলে এখনও ইয়ো-ইয়ো টেস্ট বাধ্যতামুলক৷ প্রতিটি সিরিজ শুরুর আগে ক্রিকেটাদের ইয়ো-ইয়ো টেস্টের মাধ্যমে তাঁদের ফিটনেস পরীক্ষা দিতে হয়৷ এছাড়া কোনও ক্রিকেটার চোটের কারণে টিমের বাইরে চলে গেলে তাঁকে ইয়ো-ইয়ো টেস্টে পাস করে তবেই দলেই ঢুকতে হয়৷

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।