ওশাকা: জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে জাপান পৌঁছে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ জাপানে ওশাকা বৈঠকে বসেছে সম্মেলনের আসর৷ জি-২০ সম্মেলনে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে বৈঠক হবে৷ এছাড়াও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে। সন্ত্রাসবাদ ও পরিবেশ রক্ষার বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা এবারের সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে জানা গিয়েছে৷

সম্মেলনে বিশ্বের আলোচনার তালিকায় রয়েছে খাদ্য নিরাপত্তা, শক্তি, আর্থিক সুব্যবস্থা, সন্ত্রাসবাদ, উদ্ভাবন, ডিজিটাল অর্থ ব্যবস্থা৷ প্রধানমন্ত্রী জাপান উড়ে যাওয়া আগে জানান, গোটা বিশ্ব আজ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়িয়ে৷ যা একা কোনও দেশ মোকাবিলা করতে পারবে না৷ সমষ্টিগতভাবে চ্যালেঞ্জের মোকাবিলার উপায় বের করতেই এই সম্মেলন৷

এই সম্মেলনের এক মাস আগেই দেশবাসীর বিপুল জনাদেশ পেয়ে দিল্লির মসনদে বসেছেন মোদী৷ মূল তাঁর শাসনকালের প্রথম পাঁচ বছরের উন্নয়নকে পুঁজি করেই ভোটে লড়েছিল বিজেপি৷ যাতে আস্থা রেখেছেন মানুষ৷ বিগত পাঁচ বছরে ভারতের উন্নয়নকে জি-২০ সম্মেলনের মঞ্চে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী৷

তিনি বলেন, ‘‘এই ধরণের সম্মেলনেই বিগত পাঁচ বছরে ভারতের প্রভূত উন্নয়নের কথা তুলে ধরব৷ ভারতে যে ধারাবাহিক উন্নয়নের গতি রয়েছে তা বোঝানোর চেষ্টা করা হবে অন্যসব দেশগুলিকে৷’’

২০২২ সালে জি-২০ সম্মেলনের আসর বসবে ভারতে৷ সেই বছরই ভারতীয় স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষপূর্তি৷ যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ এবছরের সম্মেলনকে তাই আগামীর সূচনা হিসেবেই দখছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী৷ কথায় নয়, ‘নিউ ইন্ডিয়া’ যে বাস্তবে ডানা মেলছে তা স্পষ্ট হচ্ছে৷ মনে করেন প্রধানমন্ত্রী৷

এই জি২০ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী মোদী অন্তত দশটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় অংশ নেবেন। এই তালিকায় রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে প্রমূখ৷