অমরাবতী: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অ্যানাকোন্ডার সঙ্গে তুলনা করলেন অন্ধ্রপ্রদেশের অর্থমন্ত্রী ইয়ানামালা রামাকৃষ্ণেন্দু৷ কারণ তিনি মনে করেন প্রধানমন্ত্রী সিবিআই, আরবিআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলিকে গিলে খাচ্ছেন৷ সংবাদ সংস্থা এএনআইকে অন্ধ্রপ্রদেশের অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘‘মোদী সিবিআই, আরবিআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলিকে অ্যানাকোন্ডার মতো গিলে খাচ্ছেন৷ এমন ব্যক্তি তাহলে কী করে দেশের চৌকিদার হন?’’

বিজেপি ছাড়াও ওয়াইএসআর কংগ্রেস ও জনসেনাকেও আক্রমণ করেন রামাকৃষ্ণেন্দু৷ বিজেপিকে সমর্থন করায় এই দুই দলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি৷ জানান, দেশের প্রতি এদের কোনও দায়িত্ববোধ নেই৷ ক্ষমতা যেদিকে তারাও সেদিকে৷ এই দুই দলই মোদীকে সমর্থন করে৷ যিনি কিনা দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে উঠে পড়ে লেগেছেন৷

এদিকে স্বাভাবিকভাবে রামাকৃষ্ণেন্দুর ‘অ্যানাকোন্ডা’ মন্তব্যকে মোটেই ভালো ভাবে নেয়নি বিজেপি৷ রাজ্য বিজেপি সভাপতি কান্না লক্ষ্মীনারায়ণা পাল্টা তেলেগু দেশম পার্টির সুপ্রিমো এন চন্দ্রবাবু নাইডুর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন৷ তাঁকে ‘দুর্নীতির রাজা’ বলে সম্বোধন করেন কান্না লক্ষ্মীনারায়ণা৷ বলেন, ‘‘চন্দ্রবাবু নাইডু নিজেই তো দুর্নীতির রাজা৷ যেকোনও সময় তাঁর পতন অনিবার্য৷ যখন চন্দ্রবাবু নাইডু এনডিএতে ছিলেন তখন তিনিই বলেছিলেন মোদীর দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়া উচিত৷ সেই তিনিই এখন মোদীকে গালমন্দ করছেন৷ আসলে মোদীর বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ হচ্ছে সব দুর্নীতিবাজ নেতারা৷ আর চন্দ্রবাবু তো পাগলের মতো তাদের পিছনে দৌড়চ্ছেন৷ না হলে তাঁর সব কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়ে যাবে৷’’

গত কয়েকদিন ধরে বিজেপি বিরোধী জোট গঠনে চন্দ্রবাবু নাইডুর তৎপরতা বেড়ে গিয়েছে৷ দিল্লি থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতার সঙ্গে দেখা করে জোট গঠনের জল্পনাকে আরও জোরদার করে দিচ্ছেন৷ একটা সময় তিনি এনডিএ জোটেই ছিলেন৷ কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার অন্ধ্রপ্রদেশকে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা না দেওয়ায় গত বছর এনডিএ শিবির থেকে বেরিয়ে আসেন৷