স্টাফ রিপোর্টার, বনগাঁ:  ২রা ফেব্রুয়ারি উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে সভা করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর৷ মতুয়াদের খাস তালুকে প্রধানমন্ত্রীর সভা৷ জনসমাগমের ব্যাপারে আশাবাদী রাজ্য বিজেপি নেতারা৷ কিন্তু সেই সভা ঘিরেই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা৷ 

আরও পড়ুন: পাঁচ বিধায়কের সমর্থনের আশ্বাসে গোয়া দখলের ডাক কংগ্রেসের

প্রধানমন্ত্রীর সবা যে মাঠে হওয়ার কথা তা নাকি আগে থেকেই বুক করা রয়েছে৷ পুলিশ সূত্রে এমনটাই জানা যায়৷ যে মাঠে মোদীর সবায় আয়োজন করা হয়েছে বিজেপির তরফে সেখানে ওই দিনই সভা রয়েছে মতুয়াদের৷ সেখানেই ভক্ত সমাগম হবে৷ মাঠ বুক করা রয়েছে ৫ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত৷

ফাইল ছবি

বিজেপি নেতৃত্বের দাবি মাঠে প্রধানমন্ত্রীর সবা নিয়ে রাজনীতি করছে শাসক দল৷ প্রধানমন্ত্রীর সভা নিয়ে মতুয়াদের মধ্যেও বিভাজন স্পষ্ট৷ বনগাঁর সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের নেতৃত্বে সম্প্রদায়ের উপর প্রভাব রয়েছে তৃণমূলের৷ অন্যদিকে তাতে থাবা বসাতে মরিয়া বিজেপি৷ তাই ঠাকুর পরিবারের ছোট নাতিকে সামনে রেখে ঠাকুরনগরে প্রধানমন্ত্রীর সবা বেছে নেয় রাজ্য বিজেপি নেতারা৷ এখন সেই সভা ঘিরেই শুরু হয়েছে অনুমতি বিতর্ক৷

আরও পড়ুন: ঘরের শত্রুদের চিনতে দেরি করলে ভুগবে তৃণমূল: কুণাল

বিতর্কের মাঝেই শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সবা নিয়ে মুখ খোলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা জেলার তৃণমূল সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক৷ তিনি বলেন, ‘‘যে মাঠে প্রধানমন্ত্রী আসতে চাইছে ওই মাঠ মতুয়া ভক্তদের আগে থেকেই অনুষ্টান করার জন্য বুক করা আছে। দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে এই সময় ওদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান হয়ে আসছে । প্রধানমন্ত্রী আসছে বলে সেই ধর্মীয় সভা বন্ধ হয়ে যেতে পারে না।’’

আরও পড়ুন: প্রণবের ভারতরত্ন বিতর্কে দূরে থাকার কৌশল কংগ্রেসের

 

রীতিমক হুমকির সুরেই মন্ত্রী বলেন, ‘‘অনুমতি না থাকা স্বত্ত্বেও যদি প্রধানমন্ত্রী ঠাকুর নগরের ওই মাঠে সভা করেন তবে সেটা বেআইনি হবে। মানুষ ব্যালটে এর জবাব দিয়ে দেবে। মানুষ অত্যন্ত সজাগ। উনি মায়াকান্না কাঁদতে আসছে ভোটব্যাংক বাড়ানোর জন্য।’’

জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের দাবি মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই৷ বড়মা নিজের মেয়ের মতো ভালোবাসেন তৃণমূল সুপ্রিমোকে৷ ফলে মোদী সভা করেও মতুয়া ভোট দখল করতে পারবেন না৷

আরও পড়ুন: মোদী মন্ত্রিসভার সেরা মন্ত্রী রাজনাথ, বলছে সমীক্ষা

‘অনুমতি’ বিতর্কেই গেরুয়া শিবিরের রথযাত্রা আটকে গিয়েছে৷ আরও একবার একই বিতর্ক৷ ফলে প্রশ্নের মুখে ২রা ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর সভা৷