নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি (PM Kisan Nidhi Scheme) যোজনার অষ্টম কিস্তি শুক্রবার সরাসরি কৃষকদের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি গোটা ভারতের কৃষকদের (Farmers) এই টাকা দিয়েছেন।পশ্চিমবঙ্গ সহ গোটা দেশের ১০ কোটি কৃষকদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি ১৯ হাজার কোটি টাকা পাঠান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী কিষান স্কিমের অষ্টম কিস্তি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত সুবিধাভোগী কৃষকের অ্যাকাউন্টে ২ হাজার টাকা পৌঁছে যাবে সরাসরি। এই প্রকল্পের আওতায় কৃষকরা এখন পর্যন্ত সপ্তম কিস্তি পেয়েছে। এবার শুক্রবার অষ্টম কিস্তি দেওয়া হল কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে। কিন্তু এই টাকা যদি ব্যাঙ্কে না আসে তবে সুবিধাভোগীরা সহজেই নিজের অ্যাকাউন্টের স্ট্যাটাস জানতে হবে। সেক্ষেত্রে কয়েকটি পদক্ষেপ অনুসরণ করতে হবে –

১. প্রথমে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://pmksan.gov.in/ এ যেতে হবে।
২. তারপরে হোম পেজে গিয়ে, আপনাকে ফার্মার্স কর্নারের (Farmers Corner) অপশনে ক্লিক করতে হবে
৩. এরপরে, বেনিফিশিয়ারি স্ট্যাটাস (Beneficiary Status) অপশনে ক্লিক করতে হবে।
৪. এরপরে একটি নতুন পেজ খুলে যাবে। সেখানে আধার নম্বর, মোবাইল নম্বর লিখতে হবে। তারপরে অ্যাকাউন্টের স্থিতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।

আপনি যদি প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার সুবিধাভোগী হন এবং আপনি ৮ ম কিস্তি না পান তবে আপনি প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি প্রকল্প হেল্পলাইন নম্বর 155261, 1800115526 কিংবা টোল ফ্রি নম্বর 011-23381092-এ ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারেন। এছাড়াও অভিযোগটি অফিসিয়াল ইমেল আইডি-তে pmkisan-ict@gov.in মেইল ​​করতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী কিষাণ (PM- Kisan Nidhi Scheme) যোজনার শেষ অর্থাৎ সপ্তম কিস্তি ২৫ ডিসেম্বর ক্রিসমাসে প্রদান করা হয়েছিল। সেদিন ছিল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মবার্ষিকীও। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান প্রকল্পটি নরেন্দ্র মোদী দ্বারা ২০১৯ সালে চালু করা হয়েছিল। এই প্রকল্পটির লক্ষ্য হল কিছু ব্যতিক্রম সাপেক্ষে সারা দেশে জমির মালিক কৃষক পরিবারগুলিকে সহায়তা প্রদান করা। এই প্রকল্পের আওতায় বছরে ৬ হাজার টাকা প্রতি ৪ মাসিক কিস্তিতে সরাসরি সুবিধাভোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়। একটি আর্থিক বছরে, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ কিস্তি তিনবার জমা হয় – এপ্রিল-জুলাইয়ে প্রথমবার, আগস্ট থেকে নভেম্বর অবধি দ্বিতীয়বার এবং ডিসেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে তৃতীয়টি দেওয়া হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.