নয়াদিল্লি: নিজের মায়ের সঙ্গে থাকেন না তিনি। থাকেন না স্ত্রী’র সঙ্গেও। পরিবার থেকে কেন এভাবে আলাদা তিনি। অক্ষয় কুমারের সঙ্গে কথোপকথনে সেই প্রশ্নেরই জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর মা, ভাই এবং অন্যান্য পরিবারের সদস্যদের থেকে আলাদা থাকেন৷ তিনি অক্ষয় কুমারের এই সাক্ষাৎকারে তার কারন জানালেন৷ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর এই সাক্ষাৎকার এএনআই-তে প্রকাশিত হয়৷

অক্ষয় কুমার প্রধানমন্ত্রীকে এই সাক্ষাৎকার চলাকালীন প্রশ্ন করেন,” যেমন আমি আমার বাড়িতে মায়ের সঙ্গে থাকি, আপনার ইচ্ছে করে না মা, ভাই বা পরিবারের সঙ্গে থাকতে?” তাঁর এই প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন,” জীবনের অনেক ছোট বয়েস থেকে সব কিছু ছেড়েছি৷ অনেক ছোট বয়সে। তারপর আমার যে ট্রেনিং হয়েছে, তাতে আমার মোহ-মায়া সব কেটে গিয়েছে। একটা বয়সে ঘর ছাড়তে কষ্ট হয়, কিন্তু আমি যে বয়সে ঘর ছেড়েছি, তারপর জীবন এগিয়ে গিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, একসময় মা’কে দিল্লিতে এনে নিজের কাছে রেখেছিলেন। কিন্তু মা’কে সময় দিতে পারতেন না। তিনি বলেন, ”আমার মা আমাকে বলে, আরে ভাই কেন আমার পিছনে সময় নষ্ট করছো৷” নিজের গ্রামেই বেশি ভাল থাকেন মা, সবার সঙ্গে কথা হয়।

খিলড়ি কুমার বুধবার তার ট্যুইটারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকারের টিজার প্রকাশ করেন৷ অক্ষয় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানান এই সাক্ষাকারে প্রধানমন্ত্রীর বিষয় একাদিক অজানা তথ্য জানার চেষ্টা করা হয়েছে৷

সোশ্যাল মিডিয়াতে এই সাক্ষাতকারের জোর চর্চা শুরু হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।