নয়াদিল্লি : রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, ৭টি সরকারি ব্যাংক ও সাতটি বড় অর্থনৈতিক সংস্থার তরফ থেকে বিপুল অনুদান পেল প্রাইম মিনিষ্টারস সিটিজেন অ্যাসিসট্যান্স অ্যান্ড রিলিফ ইন এমারজেন্সি সিচুয়েশনস বা পিএম কেয়ারস।

রিপোর্ট অনুযায়ী এই প্রতিটি সংস্থার কর্মীদের বেতন থেকে মোট ২০০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে পিএম কেয়ারসে। মোট অনুদানের অর্থ ২০৪.৭৫ কোটি টাকা। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট জানাচ্ছে এই কথা। তথ্য জানার অধিকার আইনের মাধ্যমে এই রিপোর্ট হাতে এসেছে।

রিপোর্ট জানাচ্ছে এই প্রতিটি সংস্থা নিজেদের কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপ্সিবিলিটির (সিএসআর) মাধ্যমে অনুদানের অর্থ যোগাড় করে প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে তুলে দিয়েছে। এর মধ্যে এলআইসি, জিআইসি ও ন্যাশনাল হাউসিং ব্যাংক অনুদান দিয়েছে মোট ১৪৪.৫ কোটি।

এলআইসি নিজে অনুদান দিয়েছে ১১৩.৬৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৮.৬৪ কোটি এসেছে কর্মীদের বেতন থেকে, সিএসআর প্রকল্পে ১০০ কোটি ও গোল্ডেন জুবিলি ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

সরকারি ব্যাংকগুলির মধ্যে স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে ১০৭.৯৫ কোটি টাকা। গোটাটাই এসেছে কর্মীদের বেতন থেকে। আরবিআই দিয়েছে ৭.৩৪ কোটি টাকা। এখানে উল্লেখ করা হয়েছে কর্মীদের কথা। কর্মীদের তরফ থেকে এই অনুদান এসেছে বলে জানিয়েছে রিজার্ভ ব্যাংক।

উল্লেখ্য, পিএম কেয়ারস ফান্ডের সদস্যরা হলেন প্রধানমন্ত্রী নিজে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। এদিকে, করোনা ভাইরাস অতিমারির মোকাবিলায় ২০২০ সালের মার্চ মাসে মোদী সরকারের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী কেয়ার্স ফান্ড (PM Cares Fund)। ৩১ মার্চ অবধি ৩ হাজার ৭৬ কোটি টাকা অনুদান পেয়েছে, এমনটাই জানায় ওয়েবসাইটের অডিট রিপোর্ট।

প্রথম পাঁচদিনেই এই টাকার অংক পেয়েছে পিএম কেয়ার্স ফান্ড। PM Cares Fund দেশ এবং বিদেশ থেকে এই মোট অনুদান পেয়েছে বলে জানানো হয়।

অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী, ৩০,৭৬,৬২,৫৮,০৯৬ চুড়ান্ত ব্যালেন্স যা এই ফান্ডে জমা পড়েছে। এই অ্যাকাউন্ট প্রাইম মিনিস্টারের সিটিজেন অ্যাসিস্টেন্স এন্ড রিলিফ ইন ইমারজেন্সি সিচুয়েশনের সঙ্গে যুক্ত। বিরোধীদের একাধিক পিটিশন এবং সমালোচনা এসেছে প্রধানমন্ত্রীর পিএম কেয়ারস ফান্ডের স্বচ্ছতা নিয়ে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।