কৌশিক চট্টোপাধ্যায়, রায়গঞ্জ: ধামসা মাদল থেকে শুরু করে আধুনিক ডিজে সাউন্ড, ক্যামেরার ফ্ল্যাশ থেকে শুরু করে সেল্ফি স্টিক। পতাকা বা অস্ত্রের ঝনঝনানিতে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের ঠান্ডা হাওয়ার উষ্ণতাকে একলহমায় বাড়িয়ে দিয়ে উত্তর দিনাজপুর জেলার প্রায় প্রতিটি ব্লকে কার্যত জনস্রোতের মিছিলে পা মেলালো রামভক্তের দল।

বুধবার রামনবমী উদযাপন সমিতির উদ্যোগে রায়গঞ্জের শিলিগুড়ি মোড় থেকে একটি মিছিল বিদ্রোহী মোড় হয়ে শহরের অন্যান্য পথ পরিক্রমা করে রেল ময়দানে এসে শেষ হয়। অগণিত রামভক্তের সঙ্গে মিছিলে পা মেলান বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং যুব মোর্চার নেতৃত্ব। মাদলের তালে তালে নাচে গানে, পতাকা আর শ্লোগানে জনস্রোতের আকার নেয় রামনবমীর শহরের রাস্তাঘাট। সকাল থেকেই রায়গঞ্জ সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকা থেকেই মিছিল করে রায়গঞ্জের শিলিগুড়ি মোড় এলাকায় জড়ো হতে থাকে রামভক্তরা। সেখান থেকেই মিছিল করে রেল ময়দানে এসে ভক্তদের মধ্যে খিচুড়ি বিলি করেন কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে প্রায় লক্ষাধিক রামভক্তের মিছিলে কার্যত জনজীবন থমকে যায় ইসলামপুর শহর এবং শহর সংলগ্ন অঞ্চলে। এদিন চোপড়া, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল করে ইসলামপুরের স্টেট ফার্ম কলোনি এলাকায় এসে পৌঁছায় রামভক্তরা সেখান থেকে জীবন মোড় পর্যন্ত মিছিলে পা মেলান অগণিত রামভক্ত। ধামসা মাদল, পতাকা, অস্ত্রের ঝনঝনানি আর ডিজেতে রামের  বন্দনা সংগীতে এদিন জনজোয়ারের সাক্ষী থাকলো ইসলামপুর বাসিরা। এখানে মিছিলে পা মেলালেন  বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্য, নেতৃত্ব অন্যদিকে কোলাকুলি করে সৌহার্দ বিনিময় করলেন ইসলামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কানাইয়ালাল আগরওয়ালা। জেলার অন্যান্য এলাকাতেও রামনবমীকে ঘিরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মিছিল, শোভাযাত্রা আর  স্মার্ট সেল্ফিতে ভক্তদের উন্মাদনা ছিলো চোখে পরার মতো।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।