১৯৫০ সাল থেকে এখন অবধি মানুষ ৯ বিলিয়ন টন বা ৮১৬ মিলিয়ন কিলোগ্রাম প্লাস্টিক তৈরি করেছে। এর মাত্র ৯ শতাংশ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কিন্তু বাকি প্লাস্টিক পোড়ানো যায়নি বা পুনর্ব্যবহার করা যায়নি। এটি প্রকৃতির জন্য রীতিমতো বিপদের। এবারে বিজ্ঞানীরা এমন একটি মাশরুম আবিষ্কার করেছেন যা প্লাস্টিক খায়। অর্থাৎ ভবিষ্যতে প্লাস্টিকের বর্জ্য থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।

এই মাশরুমের নাম পেস্টালোটিওপিস মাইক্রোস্পোরা। এই মাশরুমগুলি প্লাস্টিকের উপাদান, পলিউরেথেন খায় এবং জৈব পদার্থে রূপান্তর করে। ভবিষ্যতে প্লাস্টিকের বর্জ্য থেকে মুক্তি পেতে এই মাশরুমটি আরও বেশি করে ব্যবহার করা যেতে পারে।

আরও খবর পড়ুন – করোনার ৫ ভয়ংকর লক্ষ্মণ, রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতেই হবে

পরিবেশবিদরা মনে করেন, যদি এই মাশরুম প্লাস্টিকের বর্জ্যের উপরে তৈরি করা হয় তবে ওই প্লাস্টিক সার হিসাবে ব্যবহৃত হতে পারে। এই মাশরুমটি জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আমাদের পৃথিবী পরিষ্কারে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

পৃথিবীতে প্রায় ২০ থেকে ৪০ লক্ষ প্রজাতির ছত্রাক রয়েছে। সুতরাং এই মাশরুমগুলি ব্যবহার করে ভবিষ্যতে পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় ব্যবহার করা যেতে পারে। প্লাস্টিকখোর এই মাশরুমের আবিষ্কার করেছেন ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। বর্তমানে এই মাশরুম শুধুমাত্র আমাজনের জঙ্গলেই পাওয়া যায়।

আরও খবর পড়ুন – লকডাউন চাই না, এই মর্মে ২৫ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের বণিক সভা ফিকির আবেদন

ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীর মতে, বাদামী এই মাশরুম এমন পরিবেশেও তৈরি হতে পারে যেখানে অক্সিজেনের পরিমাণ অনেক কম। কারণ এটি প্লাস্টিকে থাকা পলিউরেথেন গ্রহণ করে এবং সেটিকে জৈব পদার্থে রূপান্তর করে। জৈব পদার্থের মাধ্যমে এটি প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পায়। এই মাশরুম প্লাস্টিককে মাত্র দু’সপ্তাহের মধ্যে জৈব পদার্থে রূপান্তর করতে পারে।

অন্যদিকে এই ধরনের মাশরুম সাধারণ মানুষও খেতে পারে। এই ধরণের মাশরুম খাওয়ার সময় বা রান্না করার সময় মদের গন্ধও পাওয়া যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.