নয়াদিল্লি: ২ অক্টোবর মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকীতে প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হচ্ছে ৷ এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর ‘মন কি বাত’-এ এবং স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার বক্তৃতাতে এই বিষয়ে গণসচেতনতার ডাক দিয়েছিলেন। কেন্দ্রের নতুন নিয়মে অমন প্লাস্টিক ব্যবহার আটকাতে জরিমানার কথাও বলা হয়েছে ৷ তবে সংবাদমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু মানুষ এবিষয়ে সচেতন হয়েছেন। ফলে

২০২২-এর মধ্যে এই দেশকে ‘সিঙ্গল-ইউজ প্লাস্টিক’ মুক্ত করতে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্র। এক বার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যবহার চলবে না। তাই প্রথম ধাপে নিষিদ্ধ হয়েছে ১২টি জিনিস ৷ যার মধ্যে পড়ছে ৫০ মাইক্রনের কম প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ (হাতল যুক্ত এবং হাতল ছাড়়া), ২০০ মিলি লিটারের কম তরলের জন্য তৈরি প্লাস্টিকের বোতল, প্লাস্টিকের জলের পাউচ, একবার ব্যবহার যোগ্য থার্মকলের থালা-গ্লাস-বাটি-চামচ, ছোট প্লাস্টিকের কাপ, বিভিন্ন রেস্তরাঁয় খাবার দেওয়ার জন্য প্লাস্টিকের পাত্র ইত্যাদি৷ সেক্ষেত্রে এই নিষিদ্ধ দ্রব্যগুলি ব্যবহার করলে প্রথমে ৫ হাজার, দ্বিতীয় বার ধরা পড়লে ১০ হাজার এবং তৃতীয় বারে ২৫ হাজার টাকা জরিমানার সঙ্গে ৩ মাসের জেলও হতে পারে।

ভারত-সহ গোটা পৃথিবী এখন প্লাস্টিক দূষণের শিকার। সে কথা মাথায় রেখে এবার ১৫ অগস্ট লালকেল্লার বক্তৃতার সময় প্লাস্টিক বর্জন নিয়ে সরব হয়েছিলেন মোদী। প্রধানমন্ত্রীর সেই বক্তৃতার পরে ভারতীয় রেল জানিয়ে দেয়,২ অক্টোবর থেকে ট্রেন ও স্টেশন চত্বরে প্লাস্টিকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। এছাড়া এই উদ্যোগকে বৃহত্তর পর্যায়ে নিয়ে যেতে মোদী সরকার দেশের সব পুরসভা, গ্রাম পঞ্চায়েত, জেলা প্রশাসন এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থাকে আর্জি জানিয়েছেন প্লাস্টিক-মুক্ত সমাজ গড়ে তোলার জন্য৷

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV