মুম্বই: মহারাষ্ট্রে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। মারণ করোনার প্রতিরোধে প্লাজমা থেরাপি ক্রমেই কার্যকর হয়ে উঠছে মহারাষ্ট্রে, এমনই দাবি রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপের। মহারাষ্ট্রে প্রতি ১০ জন করোনা রোগীকে প্লাজমা থেরাপি দেওয়া হলে তাঁদের ৯ জনই সুস্থ হয়ে উঠছেন বলে দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর। এখনও পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে ৯৩ হাজার জন করোনামুক্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপ।

দেশের মধ্যে করোনার সর্বাধিক সংক্রমণ মহারাষ্ট্রে। বাণিজ্যনগরী মু্ম্বইয়ের লাগামহীন সংক্রমণে দিশেহারা প্রশাসন। শুধু মুম্বইয়েই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সাত হাজারেরও বেশি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত মুম্বইয়ে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।

মুম্বইয়ের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন ১৪৪ ধারা জারি থাকাকালীন জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কারও বাড়ি থেকে বেরনোর অনুমতি নেই। বিধি ভাঙলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ লক্ষ ৮০ হাজার ২৯৮। করোনায় এখনও পর্যন্ত সেরাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৮ হাজার ৫৩ জনের।

করোনা রোগীদের চিকিৎসায় মহারাষ্ট্রে প্লাজমা থেরাপি কার্যকর ভূমিকা নিচ্ছে বলে দাবি রাজ্য়ের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপের। তিনি বলেন, ‘প্লাজমা থেরাপি এখনও চিকিত্সার একটি খুব কার্যকর উপায়। ১০ জনের মধ্যে ৯ জন এই চিকিত্সার মাধ্যমে সুস্থ হচ্ছেন।’

করোনা প্রতিরোধে সম্প্রতি রেমডিসিভির ও ফ্যাভিপিরাভির নামে দুটি ওষুধ কাজে দিচ্ছে। সংবাদসংস্থা এএনআইকে মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ২ দিনের মধ্যে রাজ্যের সব জেলায় এই ওষুধ সরবরাহ করা হবে।

এই দুটি ওষুধের দামও স,সাধারণ মানুষের নাগালে থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রেমডেসিভির এবং ফ্যাভিপিরাভির দু’দিনের মধ্যে রাজ্যের সমস্ত জেলায় পাওয়া যাবে। এটি কেবল ধনী ও প্রভাবশালী লোকদের জন্যই নয়, সবস্তরের মানুষ এই ওষুধ পাবেন। এটা আমরা নিশ্চিত করছি।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ