অনেকেরই বাড়িতে মাছ পোষার শখ রয়েছে নানান ঝামেলায় হয়তো আর হয়ে ওঠে না। কেউ আবার নানান ব্যস্ততার মধ্যেও একটুকরো অ্যাকোরিয়াম গুছিয়ে সাজিয়ে নিয়ে মাছ পোষেন। তাঁরা অনেকেই হয়তো জানেন না, অ্যাকোরিয়ামকে সাজিয়ে গুছিয়ে তুলতে সেটাকে প্লান্টেড করা একটা অন্যতম উপায়।

 

এবার কথা হল কী এই প্লানটেড ট্যাঙ্ক/ প্লানটেড অ্যাকোরিয়াম

এই অ্যাকোরিয়ামে মূলত মাছেদেরকে তাঁদের নিজস্ব প্রাকৃতিক পরিবেশ দেওয়া হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে লাইভ প্লান্ট দেওয়া হয়। অর্থাৎ জীবিত গাছ থাকে অ্যাকোরিয়ামের মধ্যে। ট্যাঙ্কের মধ্যেই সেটি বড় হয়।

আরও পড়ুন – ‘সম্মান না পেয়েই অনেকে দল ছাড়ছেন’, প্রার্থী ঘোষণার দিনে বিস্ফোরক শতাব্দী

কীভাবে তৈরি করা হবে?

একটি প্লান্টেড ট্যাঙ্ক তৈরি করতে হাজার হাজার টাকা খরচ হয়। তবে আপনি বাড়িতে সস্তায় এটি নিজের চেষ্টায় বানিয়ে ফেলতে পারেন। এর জন্য একটি অ্যাকোরিয়ামের অবশ্যই প্রয়োজন। এরপর অ্যাকোরিয়ামের নীচের দিকে সামান্য কিছু সার দিতে হবে। এরপর তার ওপরে ৩ ইঞ্চি মাটির প্রলেপ দিতে হবে। এ মাটি আপনি নার্সারি থেকে কিনে আনতে পারেন। মাটি দেওয়া হলে তার ওপরে ১ কিঞ্চি চওড়া করে বালি দিন।

 

নীচের লেয়ার তৈরি হওয়ার পর এবার দিতে হবে গাছ। আপনি গাছ কিনে মাটিতে বসাতে পারেন। আবার সেই গাছের বীজও অনালিনে মেলে। এখানে সেই লিংক রইল। আপনি কিনতে পারেন।

গাছ বড় হতে দিন ২০ লাগবে। আগে জল দিয়ে তবে গাছ পুঁতবেন। এরপর কিছুদিন অপেক্ষা করুন। দিন ২০ পর একবার অর্ধেক জল বদলে ফেলুন এবং পুনরায় জল দিন। ১৫ থেকে ২০ দিন পর মাছ রাখুন। গোল্ডফিশ রাখবেন না। তার বদলে একঝাক টেট্রা রাখুন, দেখতে সুন্দর লাগবে। ভালো আলো দিন, অক্সিজেন দিন। দেখবেন আপনার অ্যাকোরিয়াম দেখে চোখ টেরাবেই আত্মীয়দের।

আরও পড়ুন – BREAKING: বাড়ল লোকাল ট্রেন ও প্ল্যাটফর্ম টিকিটের দাম, চিন্তায় যাত্রীরা

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।