নয়াদিল্লি : বিনিয়োগের অনেক রাস্তা রয়েছে। তার মধ্যে কোনওটি ঝুঁকিপূর্ণ, কোনওটি আবার নিরাপদ। কোনওটি দীর্ঘমেয়াদি, তো কোনওটি আবার স্বল্পমেয়াদি। তবে বর্তমানে ক্রমশ কমতে থাকা সুদের হার লগ্নিকারীদের মিউচুয়াল ফান্ডের দিকে ঠেলছে।

এতে ঝুঁকি থাকলেও নির্দিষ্ট হারে উচ্চ রিটার্ণ মেলে, যদি দীর্ঘ মেয়াদি পলিসি করা যায়। ফলে এখন অনেকেই মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করতে চাইছেন। তবে অনেকেই বিষয়টি ঠিক বুঝতে না পারার জন্য অনেক সময়ই ভুল সিদ্ধান্ত নেন, আবার অনেকে মিউচুয়াল ফান্ড করাতে চান না।

এই ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে হলে, কিছু সহজ ফান্ডা মনে রাখা দরকার। বিশেষজ্ঞরা বলেন কখনই সব ডিম এক ঝুড়িতে রাখা উচিত নয়। অর্থাৎ বিনিয়োগের পুরো অর্থ এক জায়গায় না ঢেলে, তা বিভিন্ন খাতে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত। এতে লোকসানের পরিমাণ কম হয় ও বিনিয়োগ নিরাপদ থাকে।

কিছু পলিসি স্বল্প মেয়াদি ও কিছু পলিসি দীর্ঘ মেয়াদী করা উচিত। এতে রিটার্ণের চক্র ব্যালেন্সড থাকে। মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এই বিনিয়োগ এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে লাভজনক বলে প্রমাণিত হয়ে এসেছে। বাজারে থাকা অন্যান্য বিনিয়োগের তুলনায় এই বিনিয়োগে মূল টাকার ওপরে রিটার্ণের হার সবচেয়ে বেশি।

একটি বিষয় মাথায় রাখা দরকার মাত্র ৫০০ টাকা প্রতি মাসে বা শুধু ৫০০ টাকা একবারের জন্য রেখেও এখানে বিনিয়োগ করা যায়।

তবে এক্ষেত্রে যত বেশি সময় মিউচুয়াল ফান্ডে দেওয়া যায় তত কম্পাউন্ড ইন্টারেস্ট পাওয়া যায়। কোন মিউচুয়াল ফান্ডে কত টাকা কট সময়ের জন্য বিনিয়োগ করবেন, তা বিশেষজ্ঞদের থেকে জেনে নিতে পারেন। বাজার চলতি একাধিক মিউচুয়াল ফান্ড রয়েছে।

তবে অনেকেই মিউচুয়াল ফান্ড ও স্টক মার্কেটকে এক করে ফেলেন। বিষয়টা ঠিক নয়। স্টক মার্কেট বা শেয়ার মার্কেটের তুলনায় মিউচুয়াল ফান্ড অনেক বেশি নিরাপদ।

মিউচুয়াল ফান্ডের সুবিধা হল যে কোনও সময় বিনিয়োগ করা যাবে এবং তার সাথে সাথে যেকোনো সময় বিনিয়োগ করা ইউনিটস বিক্রি করে টাকা ফেরত পাওয়া যাবে।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।