বার্লিন ও মস্কো: আরও সংকটজনক রুশ নেতা তথা প্রেসিডেন্ট পুতিনের কট্টর বিরোধী আলেক্সি। তাঁর দেহে বিষক্রিয়ার মাত্র বাড়ছেই। এই অবস্থায় চিকিৎসার জন্য রাশিয়ার সাইবেরিয়া থেকে জার্মানি নিয়ে যাওয়া হলো তাঁকে। আল জাজিরা জানাচ্ছে, অচৈতন্য আলেক্সি কে বিশেষ বিমানে করে সাইবেরিয়ার টোমস্ক শহর থেকে জার্মানির রাজধানী বার্লিনের হাসপাতালে আনা হয়েছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, পুতিনের কড়া সমালোচক আলেক্সির চিকিৎসা যাতে বিদেশে না হয় তার সরকার চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ। রাশিয়া ফর দি ফিউচার দলের নেতারা এমনই অভিযোগ করেছেন। এই নিয়ে টানাপোড়েন চলতেই থাকে। অবশেষে রুশ সরকার অনুমতি দেয়। এরপর বিশেষ বিমানে আলেক্সি কে বার্লিনে পাঠান হয়।

রুশ সংবাদ সংস্থা তাস জানাচ্ছে, আলেক্সি নাভালনি কে বিষপ্রয়োগ করা হয়েছে এমন দাবি উড়িয়ে দিয়েছে সরকার। তিনি সাইবেরিয়ার ওমস্ক শহরে রাজনৈতিক কর্মসূচি সেরে বিমানে মস্কো ফিরছিলেন। বিমানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেই বিমান জরুরি অবতরণ করে টোমস্ক শহরে। সেখানকার হাসপাতালে দ্রুত তাঁকে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

আলেক্সির ব্যক্তিগত সহকারী ও বিরোধী দলগুলির নেতারা অভিযোগ করেছেন, বিষপ্রয়োগ করে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। কারণ, তিনি বিমানে একবারই চা পান করেন। তার পরেই অসুস্থ হন। ওমস্ক হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন আলেক্সির দেহে বিষক্রিয়ার চিহ্ন মিলেছে।

এই বিষয়ে আরও গভীর পরীক্ষার দরকার। কোমায় চলে গিয়েছেন তিনি। অসাড় হয়ে গিয়েছে দেহ। নীলচে ভাব দেখা দিয়েছে। এমনই টুকরো টুকরো তথ্য উঠে আসছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে। প্রশ্ন উঠছে এখানেই। কে এভাবে তাঁর চায়ে বিষ মেশাতে পারে।

আশঙ্কা করা হচ্ছে, পুরনো বিশ্ব বিখ্যাত গুপ্তচর সংস্থা কেজিবি বিভিন্ন সময়ে এমন পদ্ধতি ব্যবহার করেছিল। যদিও তার বেশিরভাগ প্রমাণ হয়নি। কিন্তু কার্যলপ্রণালী বিশ্লেষণে কেজিবি জড়িত সেরকম দাবি করা হয়। আলেক্সিকে বিষ প্রয়োগের ঘটনা সেই ইতিহাস কে মনে পড়িয়ে দিচ্ছে।

আলেক্সির মুখপাত্র জানিয়েছেন, সন্দেহ করা হচ্ছে ফ্লাইটে তাকে যে চান পান করতে দেওয়া হয়েছিল, তাতে হয়তো কিছু মেশানো হয়ে থাকতে পারে। কারণ সকাল থেকে তিনি শুধু ওই এক কাপ চা পান করেছিলেন।

তাস জানাচ্ছে, ৪৪ বছরের আলেক্সি প্রবল সমালোচক প্রেসিডেন্ট পুতিনের। তিনি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছিলেন। তবে তাঁর দল রুশ আইনসভার দুটি কক্ষের কোনটাতেই এখনও কোনও আসন জিততে পারেনি। গত জুন মাসে প্রেসিডেন্ট পুতিন যখন সংবিধান সংশোধন করে আরো দু দফা ক্ষমতায় থাকা নিশ্চিত করেন, তখন ক্ষুব্ধ আলেক্সি এই পদক্ষেপকে সাংবিধানিক অভ্যুত্থানবলে আখ্যা দিয়েছিলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।