কলকাতা: টালা ব্রিজের বেহাল অবস্থা চোখে পড়েছে আগেই। তাই আপাতত ভারী যানবাহন বন্ধ গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুতে। ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাসও। কিন্তু এবার শহরের অপর একটি ব্রিজ নিয়ে চিন্তায় বিশেষজ্ঞরা।

তবে টালা ব্রিজের উপর দিয়ে চলাচল করা ভারী গাড়িগুলিকে অন্য পথে ঘুরিয়ে দেওয়ায় বেশ চাপ পড়েছে আর জি কর হাসপাতালের সামনে বেলগাছিয়া ব্রিজের উপরে। তাই এবার বেলগাছিয়া ব্রিজ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এই ব্রিজে তাই ভার কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে তারা। এর জন্য টেন্ডার ডাকা হয়েছে। ৩০ দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করে কাজ শুরু করতে চায় পূর্ত দফতর।

ভার কমাতে বেলগাছিয়া ব্রিজের উপরের পিচের আস্তরণ তুলে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এমনকী চাপ কমাতে ট্রাম লাইনও তুলে ফেলার কথা ভাবা হচ্ছে। কয়েক মাস আগেই ট্রাম লাইন সারানো হয়। মাঝেরহাট ব্রিজে ভার না কমানোর জন্যই বিপত্তি হয়েছিল। দুর্ঘটনা কমানোর জন্য উড়ালপুলে ক্র্যাশ ব্যারিয়ার তৈরি হয়েছিল। সেটাও ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যারা টালা ব্রিজের পরীক্ষা করছে, রেলের অধীনস্থা সেই সংস্থা রাইটসকে দিয়ে বেলগাছিয়া ব্রিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়েছে পূর্ত দফতর। এই ব্রিজের পিলারে আগাছা জন্মেছে, সেটাও পরিস্কার করার কথা বলেছে এই সংস্থা। কলকাতা ট্রাফিক পুলিশকে এই ব্রিজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবে রাইটস।

এদিকে, পুজো শেষ হতেই টালা ব্রিজ নিয়ে তৎপর প্রশাসন৷ টালা ব্রিজ ভেঙে ফেলা হবে, না সংস্কার করা হবে, তা নিয়ে আগামী শনিবার নবান্নে উচ্চ পর্যায়ে বৈঠক বসতে চলেছে।

ব্রিজ নিয়ে বুধবার নবান্নে লিখিত রিপোর্ট জমা পরার পরই সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী শনিবার ব্রিজ নিয়ে বৈঠকে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী। সব পক্ষই ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা। টালা ব্রিজের বর্তমানে যা অবস্থা তা তুলে ধরা হয়েছে রিপোর্টে। সুপারিশে জানানো হয়েছে, ব্রিজের মোট ৭টি জায়গার অবস্থা বিপজ্জনক৷ রেললাইনের উপরের অংশ সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক ৷ তাই ব্রিজ ভেঙে ফেলাই উচিৎ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ তবে আগামী শনিবারের বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হতে পারে, টালা ব্রিজটি রেখেই সংস্কার করা হবে, নাকি সম্পূর্ন ভেঙে নতুন করে তৈরি করা হবে৷

পুজোর আগ থেকেই রাইটসের রিপোর্টের ভিত্তিতে টালা ব্রিজের উপর দিয়ে বন্ধ রয়েছে বাস চলাচল। তার ফলে ওই বাসগুলোর পথ পরিবর্তন করা হয়েছে। এই ব্রিজের উপর দিয়ে প্রায় ৫০ টি রুটের বাস চলাচল করত। এখন সেগুলিকে বিকল্প পথ দিয়ে যেতে হচ্ছে ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।