কলকাতা : গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে এসেছে ভ্যালেন্টাইনস ডে৷ আর মাত্র কয়েকটা দিন৷ তাই যা কিছু পরিকল্পনা, তা সেরে ফেলতে হবে এবেলাই৷ প্রেমিক বা প্রেমিকাকে কোনও উপহার দেওয়াই হোক বা কোথাও ঘুরতে যাওয়া, প্ল্যান তো একটা করতেই হবে৷ যা কিছু হোক, তা রোম্যান্টিক হতে হবে৷ আরও বেশি রোম্যান্টিক৷ এমন করতে চাইলে সবচেয়ে ভালো হতে পারে ডিনার ডেট৷ তবে কলকাতায় বসে থেকে কোনও রেস্তোরাঁয় গিয়ে রাতের খাওয়া সারা যেতে পারে৷ কিন্তু ডিনার ডেট যদি হয় বাড়ি থেকে দূরে কোথাও? যদি হয় কলকাতার বাইরে?

এমন পাঁচটি জায়গার সন্ধান রইল আজ৷ এই জায়গাগুলি ট্রিপ অ্যাডভাইজার রেটিংয়ে সবচেয়ে রোম্যান্টিক৷ রেটিং অবশ্যই ট্রিপ অ্যাডভাইজার দেয়নি৷ দিয়েছে পর্যটকরা৷ কাপলদের বিচারেই এই হোটেলগুলো ট্রাভেলার্স চয়েস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে৷

আরও পড়ুন : জুলিয়েট কোথায়? ইন্টারনেটে খুঁজছে রোমিও

১) দ্যা ওবেরয় বন্যবিলাস- রাজস্থান
রাজস্থানের অন্যতম বিলাসবহুল হোটেল এটি৷ এর শোভা অদ্বিতীয়৷ হয়তো আপনি ডিনার করতে বসেছেন, পাশে হ্রদের জল৷ এক কথায় রোম্যান্টিকতা এখানে ভরপুর৷ এছাড়া রয়েছে সাফারি ও আধ্যাত্মিক চিন্তাধারা৷ আপনি চাইলে সেখানেও সামিল হতে পারেন৷

২) তাজ লেক প্যালেস- উদয়পুর, রাজস্থান
১৭৪৬ সালে এই প্যালেসের নির্মাণ হয়৷ এই প্রাসাদের মার্বেলের কাজ ও আর্কিটেকচার অসাধারণ৷ হ্রদের মাঝখানে এই প্যালেস অবস্থিত৷ আপনি এখান থেকে আরাবল্লী পাহাড় দর্শন করতে পারেন৷ এখানকার স্থানীয় খাবারের স্বাদও জিভে জল এনে দেবে৷

আরও পড়ুন : ভ্যালেন্টাইনস ডে সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জানেন কি?

৩) চনৌড় গড়- পালি, রাজস্থান
এটি ৩০০ বছরের পুরোনো একটি অট্টালিকা৷ বর্তমানে অতিথিশালা৷ এর নিজস্ব একটি ইতিহাস রয়েছে৷ আপনি এখানে থাকলেই রাজপুত ঘরানার একটি আভাস পাবেন৷ বিলাসবহুল এই অট্টালিকা আপনাকে আলাদা এক অনুভূতি এনে দেবে৷

৪) হোটেল প্লেজেন্ট হাভেলি- জয়সলমীর, রাজস্থান
“থর মরুভূমির গোল্ডেন সিটি” জয়সলমীরের এর হৃদয়ে অবস্থিত এই হোটেল৷ জয়সলমীর ফোর্ট থেকে এর দূরত্ব ৫০০ মিটার৷ আপনি এখানে সবচেয়ে সুন্দর সূর্যাস্ত উপভোগ করতে পারবেন৷ সমস্ত শহর ও দুর্গ সহ এমন দৃশ্য ভোলা যায় না৷

৫) ওল্ড হরবার হোটেল- কোটি, কেরালা
কেরালার প্রাচীনতম সম্পত্তিগুলির একটি এই হোটেল৷ ওল্ড হারবার সুন্দরভাবে পুনরুদ্ধার করা ও খুব ভালো রক্ষণাবেক্ষণ করা একটি হোটেল৷ রেস্তোরাঁর ছাদে কোচি ফোর্টের বাগানটি উপভোগ করতে পারবেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।