শ্রী বিষ্ণুর সপ্তম অবতারের সূচনা দেয় রামনবমী। প্রতি বছরই মার্চ বা এপ্রিল মাসে এই পুজো অনুষ্ঠিত হয়। যদিও সমাজের বৈষ্ণব সম্পদায়ের মধ্যেই এই উৎসব পালনের সংখ্যা বেশি দেখা যায় তবে গোটা বিশ্বেই আজ তিনি সমাদৃত। অনেক হিন্দুরাই বিভিন্ন মন্দিরে গিয়ে পুজো করেন তবে বাড়িতেও রামের মূর্তি স্থাপন করে তার পুজো করতে দেখা যায়। সাধারণত রাম কথা পাঠ করে পুজো করেন কেউ। আবার কেউ কুই বাড়িতে ভজন বা কীর্তন আয়োজন করেন। সকলেই নবমীর ব্রত পালন করতে উপোস থাকেন এই শুভদিনে।

যদিও রামের জন্মদিনকে কেন্দ্র করেই এই উৎসব পালিত হয় তবে সীতা, লক্ষণ এবং হনুমানকেও সম্মান জানানো হয় তাদের পুজো করার মাধ্যমে। ভারতের অযোধ্যা, উত্তর প্রদেশের সীতা সমাহিত স্থল, বিহারের সীতামারি, তেলেঙ্গানার ভদ্রচলম, অন্ধ্র প্রদেশের ভণ্টিমিত্তা এবং তামিলনাড়ুর রামেশ্বরমে ধুমধাম করে পালিত হয় এই দিন। এর মধ্যে অযোধ্যার সরযূ নদীতে ভক্তরা স্নান করেন মন শুদ্ধ করতে।

আরো পোস্ট- রামনবমীর বিধি ও উপোসের নিয়ম যা প্রার্থনাকে করবে সম্পূর্ণ

এরপর তারা মন্দিরে রামের পুজো দিতে যান। কিছু কিছু জায়গায় আবার রথযাত্রা ও শোভাযাত্রা বের করে দিনটি উদযাপিত হয়। সেখানে রাম, সীতা, লক্ষণ ও হনুমানের মূর্তি বের করে শোভাযাত্রা করা হয়। এছাড়াও এই দিন অনেক জায়গায় বিভিন্ন মন্দির ও সমাজসেবী সংগঠনগুলির দ্বারা দান-ধ্যান করা হয় ও হরিজনদের খাওয়ানো হয়।

তবে শুধু ভারতে নয়, ভারতের বাইরে বিদেশেও সমানভাবে এই পুজোর চল রয়েছে। দুর্বান, ত্রিনিদাদ, ফিজি, নেপালের প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যেও এই উৎসব পালন করা হয় মহা সমরোহে। এই বছর ২১ শে এপ্রিল পালিত হবে রামনবমী। তবে মহামারীর কারণে অনেক জায়গাতেই এবার বড়ো করে কোনো উৎসব পালন করা নাও হতে পারে। তবে বাড়িতে অনেকেই করতে পারেন নিয়ম মেনে পুজো। ভক্তরা বৈদিক মন্ত্রের সঙ্গে ভজন বা কীর্তন করে পালন করেন এই উৎসব।

প্রতিটি যুগেই মানুষের সাথে হওয়া অন্যায়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই মর্তে আসেন বিষ্ণুর নানা অবতার, এমনটাই মানা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.