ঘুরতে যেতে কে না ভালবাসে? একঘেয়ে জীবন আর দৌড়ঝাঁপ সকলেরই পোষায় না।

তাই মাঝে মাঝেই স্বাদবদল করে এমন জায়গা বেছে নেওয়া উচিত। রোমাঞ্চকর (adventure) পৃথিবীতে এমন অনেক জায়গায রয়েছে যা শুধু আপনাকে রোমাঞ্চের (adventure) অনুভূতি এনে দেবে তা নয়, বরঞ্চ মৃত্যুর মুখ থেকেও আপনাকে ফিরে আসতে হতে পারে।

এ জায়গাগুলি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেমন সুন্দর তেমনি তার আড়ালে রয়েছে এর ভয়ঙ্কর রূপ। তাহলে এখুনি ঘুরে আসা যাক সেইসব জায়গায়।

১. এই জায়গায় গেলে আপনার মৃত্যুও ঘটতে পারে। কিন্তু ভ্রমণপিপাসু স্বপ্নাতুর মানুষকে কি আর আটকানো যায়?

আরো পোস্ট- পৃথিবীর অষ্টম মহাদেশ, স্থান হয়নি মানচিত্রে

এটি এমন একটি রাইড যেটি “ভল্কানো বা আগ্নেয়গিরি ভ্রমণ” নামে বেশি পরিচিত। অর্থাৎ এটি জলন্ত আগ্নেয়গিরির উপর থেকে নিচে যেতে গেলে আপনাকে দারুণ ঝুঁকিপূর্ণ একটি ভ্রমণের মধ্যে দিয়েই যেতে হবে কারণ তাছাড়া আর কোনো অপশন নেই।

অদ্ভুত ব্যাপার হলো এত মৃত্যুর ঝুঁকি থাকা স্বত্বেও হাজার হাজার মানুষ ও যাত্রী এ ধরণের রাইডের অনুভূতি নিতে ইচ্ছুক থাকেন ও যান সেখানে। এতে উপর থেকে নিচে যাওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে স্লিপারের মতো একটি বোর্ড যেটি ভল্কানো বোর্ড নামে খ্যাত।

এখানকার অদ্ভুত একটি তথ্য হলো যে এইসব ভ্রমণকারীদের উপর থেকে নিচে নামার সময় গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় প্রায় ৮৫ কিলোমিটার।

২. নরওয়ের বিখ্যাত ব্রুকেইল পাহাড়ে ঘুরে আসুন। এটা ভয়ংকর এক অনুভূতি।

সে কারণে এই পাহাড়টি চড়ার আগে পর্যটকদের বেশ দম নিতে হয়। প্রায় ১০ থেকে ১১ ঘণ্টা পাহাড়ের পথ পেরোতে গিয়ে এতে মৃত্যুর ভয়ও কিন্তু প্রবল।

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ান এক নারীর মৃত্যু হয় এই পাহাড় চড়তে গিয়েই। তবে সে যাই হোক সাবধান থাকা সবার আগে উচিত আমাদের। কারণ তবেই আমরা পাবো সবচেয়ে সুখকর অনুভূতি।

৩. চীনের কাচের তৈরি ব্রিজের কথা অনেকেই জানেন। বিখ্যাত এই ব্রিজটি খুব স্বচ্ছ হওয়ায় আপনি শূন্যের উপরই হেটে যাচ্ছেন মনে হবে।

পাহাড় ঘেরা উঁচু স্থানে নির্মিত এই সেতুটিতে চড়তে রীতিমত পা ভড়কে যায় ভ্রমণকারীদের। সেতুটা তৈরি করা হয়েছে একটি বিশাল খাদের উপরে।

এটা ভাবলেই নিচের দিকে তাকালে আঁতকে উঠতে হয়। তবে নির্মাতারা বলছেন, এই সেতুটি সম্পূর্ণ নিরাপদ একটি সেতু, এতে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা হওয়ার কোনো সম্ভবনা নেই।

চীনের হুনান প্রদেশের ঝাংজিজিয়ে ন্যাশনাল পার্কের গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে রয়েছে বিখ্যাত এই সেতুটি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.