প্রতিটি মানুষের সময় সব সময় একরকম যায় না। আসলে আমরা আমাদের জীবনে কোনোভাবে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে বলে থাকি আমাদের উপর শনির দশা চলছে। সেই কারণেই শনির আশীর্বাদ খুব দরকার জীবনে সফলভাবে এগোনোর জন্যে। শনিদেবের আরাধনা করা হয় শনিবারে।

শনিবারে শনিদেবকে খুশি করতে ঠিকমতো পুজো করা গেলেই সব সমস্যা মিটে যাবে। এর পাশাপাশি শনিবারে যদি মা কালী কিংবা শনির পুজো করা যায় তাহলে আর কোনো বিপদ ধারেকাছে ঘেঁষবে না আপনার। এছাড়াও একটি উপায় আছে অর্থভাগ্য ফিরিয়ে আনার। এই শনিবারেই এমন একটি কাজ আছে যেটি করলে শনির আশীর্বাদ পাবেন।

এটি একটি ঘরোয়া টোটকা তবে তা মানতে পারলে জীবন একেবারেই আরামে চলবে। মনে ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস না নিয়ে টোটকাটি করবেন না। এর জন্যে আপনাকে জোগাড় করতে হবে প্রথমেই দরকার ৭ টি লবঙ্গ, কিছুটা শর্ষে, একটি নতুন সাদা কাপড়ের টুকরো আর ঝাঁটা দিয়ে কুড়নো মাটি। লবঙ্গ গোটা নেবেন। কাপড়ের টুকরো সুন্দর ও পরিষ্কার করে নেবেন। কোনো এক শনিবার দেখে এই সকল জিনিস নিয়ে শনি ঠাকুরের কাছে গিয়ে ঠাকুরের সামনে কাপটা সুন্দর করে রেখে তারপর এক এক করে একটি একটি লবঙ্গ নিয়ে শনি দেবের চরণে দিয়ে প্রনাম করে সাত পাক ঘুরতে হবে আপনাকে।

তারপর এই লবঙ্গগুলো সব কাপড়ের উপর রেখে কিছুটা ধুলো সংগ্রহ করে নিয়ে ওই কাপড়ের উপর রয়েছে দিতে হবে। আবার এই ধুলোর উপর কিছুটা সরষে দিয়ে শক্ত করে বেঁধে দেবেন এই কাপড়ের পুটলাটিকে। পুটলিটি নিয়ে শনিদেবের সামনে নিয়ে গিয়ে নিজের মনের সকল ইচ্ছা হাতজোড় করে তার কাছে জানান। এবার ৩ বার ফু দিতে হবে ওই পুটলির উপরে।

সব শেষে ভালো মনে ওই পুটলি ঠাকুরকে অর্পণ করে ফিরে আসুন। ফল আপনি পাবেন। তবে ধৈর্য ও বিশ্বাস কোনোটাই হারালে চলবে না। এরপরেই কোনো একদিন আপনার কষ্ট দূর হয়ে যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.