বেজিং: বিতর্কিত দক্ষিণ চিন সাগরে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে এবার পিএলএ তৈরি করছে ‘Great Underwater Wall’।

পাশাপাশি জাহাজ এবং সাবসারফেস সেন্সরের মধ্যে একটি নেটওয়ার্ক চিন তৈরি করছে বলেও জানা গিয়েছে৷ এই বিতর্কিত এলাকায় বিদেশি জাহাজের গতিবিধি এবং অন্যান্য সাবমেরিনের ওপর নজর রাখতেও পিএলএ-র সুবিধা হবে বলে জানা যাচ্ছে৷

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায়, চিন তার হাইনান পাওয়ার গ্রিড ইন্টার কানেকশন প্রজেক্ট সম্পূর্ণ করেছে৷ সাবমেরিন কেবলটি কিয়ংঝাউ স্ট্রেইট এবং হাইনান প্রদেশের লিনসি আইল্যান্ডের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে৷

তবে পিএলএ-কে তাদের গতি ১০ নটস-এর মধ্যে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ পাশাপাশি কিয়ংঝাউ স্ট্রেইটের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় কোনওরকম ছবিও তুলতে নিষেধ করা হয়েছে৷

হাইনান স্ট্রেইটে সমস্ত বিদেশি জাহাজের প্রবেশ নিষেধ৷ অন্যদিকে চিনা জাহাজ সেখানে প্রবেশের ৪৮ঘন্টা আগে অনুমতি নিতে হবে৷ সেইসঙ্গে রাডারের ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে৷ তবে প্রয়োজনে বিশেষ অনুমতিতে তা ব্যবহার করা যেতে পারে৷

অন্যদিকে, দক্ষিণ চিন সাগরের ওই বিতর্কিত অংশে ভাসমান নিউক্লিয়ার প্লান্ট তৈরি করার কথা ভাবছে বেজিং। বেজিং-এর দাবি উপকূলবর্তী অঞ্চলে বিদ্যুৎ পরিষেবা দেওয়ার জন্য এই নিউক্লিয়ার প্লান্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতোমধ্যেই, দেশের পাঁচ বছরের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মধ্যে এই প্রজেক্টরে কাজ শুরু হয়েছে। এই বিষয়ে চলছে গবেষণা।

সূত্রের খবর, চিনের ন্যাশনাল নিউক্লিয়ার কো-অপারেশন (CNNC) অন্তত ২০টি ভাসমান নিউক্লিয়ার পাওয়ার স্টেশন তৈরি করবে। সংস্থার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সান কিন জানিয়েছেন, ২০২০ এর মধ্যে কার্যকর হবে এই প্রজেক্ট। এই নিউক্লিয়ার পাওয়ার স্টেশনে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কোনও আঘাত করতে পারবে না।

জরুরিকালীন অবস্থায়, সমুদ্রের জল পাম্প করে তোলাও যাবে ওই স্টেশনের মাধ্যমে। দক্ষিণ চিন সাগরের প্রায় পুরোটাই দাবি করে চিন। তবে দ্বীপগুলির উপর দাবি রয়েছে ভিয়েতনান, ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই ও তাইওয়ানের।

অন্যদিকে, হুমকি-নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে চিনের তৈরি দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী ‘শানদং’কে দক্ষিণ চিন সাগরের কাছে মোতায়েন করতে চলেছে লালচিন। এমনটাই দাবি চিনের সংবাদমাধ্যমের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।