চিনা সেনার দাদাগিরি
file pic

নয়াদিল্লি : আবারও সেনা স্তরে বৈঠকে বসছে ভারত-চিন। প্যাংগং লেকের ফিঙ্গার ফোর থেকে সরে গিয়েছে চিনা সেনা। ৩০ শে জুন কর্পস কমান্ডার স্তরে বৈঠক হয়েছিল দুই দেশের। ফের বৈঠকে বসবে নয়াদিল্লি – বেজিং, এমনই খবর সরকারি সূত্রে।

সোমবার সূত্রের খবর চিনা সেনা বেশ কয়েকটি এলাকা থেকে নিজেদের ঘাঁটি সরিয়ে নিয়েছে। মূলত লাদাখের বেশ কিছু এলাকা খালি করে দিয়েছে চিনা সেনা। গোগরা, হট স্প্রিং ও গালওয়ান ভ্যালি থেকে সরে গিয়েছে চিন সেনা। যে ফিঙ্গার ফোর নিয়ে মূল সমস্যা ছিল, সেই এলাকাতেও নিজেদের উপস্থিতির মাত্রা কমিয়ে কমিয়ে দিয়েছে চিনা সেনা।

উল্লেখ্য সপ্তাহ খানেক আগেই এই লাকাকে নিজেদের সীমান্তের অন্তর্ভুক্ত বলে দাবি করেছিল চিন। দিন কয়েক আগেই দেখা যায় ক্রমশ সরছে চিনের সেনাবাহিনী। শুক্রবারের যে স্যাটেলাইট ইমেজ প্রকাশ্যে আসে, তাতে পরিস্কার দেখা যায় যে প্যাংগং লেকের ধারে ক্রমশ কমে আসছে চিনা সেনার উপস্থিতি। এর আগে গত ২৬ জুনের যে ছবি দেখা গিয়েছিল, সেখানে লেকের নীল জলের ধারে ছিল চিনা সৈন্যের ভিড়। আজ সেই অংশ অনেকটাই ফাঁকা।

তবে এখনও কয়েক’শ চিনা সৈন্যের তাঁবু দেখা যাচ্ছে ওই অঞ্চলে। এখনও চিনা সেনার পুরোপুরি সরে যাওয়ার ছবি দেখা যাচ্ছে না। এদিকে, চতুর্থ দফায় জেনারেল স্তরে বৈঠকে বসতে চলেছে দুই দেশের সেনাবাহিনী। আগামী দুদিনের মধ্যে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। লাদাখ থেকে দুদেশের সেনা সম্পূর্ণ সরে যাওয়া নিয়ে কথা হতে পারে। মঙ্গলবার বা বুধবার বৈঠক হতে পারে বলে খবর।

দুই দেশের সেনার চূড়ান্ত অবস্থান কী হতে চলেছে, তা নিয়েই আলোচনা হতে পারে বৈঠকে। মে মাসের ৫ তারিখ থেকে দুদেশের মধ্যে সীমান্ত সমস্যা চলছে। ১৫ই জুন তা চূড়ান্ত আকার নেয়। দুদেশের সেনার হাতাহাতিতে ভারতীয় ২০ জন জওয়ান শহিদ হন।

এর আগে, জুলাই মাসের শুরুর দিকে, প্যাংগং লেকের ফিঙ্গার ৪ এলাকার উপগ্রহ চিত্রে দেখা যায় সেখানে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অস্থায়ী ক্যাম্প। রয়েছে সাজোঁয়া গাড়ি, ও সমরাস্ত্র। ভারতীয় সেনা বরাবরই ফিঙ্গার ১ থেকে ৮ পর্যন্ত টহল দেয়। কিন্তু এবার তা করতে গিয়ে বাধা পাচ্ছিল নয়াদিল্লি। চিন দাবি করে ফিঙ্গার ৮ থেকে ফিঙ্গার ৪ পর্যন্ত তাঁদের এলাকা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ