নয়াদিল্লিঃ কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের একদিন পর রেল বাজেট নিয়ে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়াল। বললেন আমরা যা চেয়েছিলাম তাই পেয়েছি। শনিবার বুলেট ট্রেন প্রসঙ্গেও মন্ত্রীকে বলতে শোনা গেল ২০২২ সালের মধ্যে বুলেট ট্রেন তৈরি হয়ে যাবে একথা কখনই বলা হয় নি। জাপানিরা এই প্রকল্পের কাজ ২০২৩ সালে শেষ করার কথা জানিয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তার পেশ করা বাজেটে আশানুরূপ খুশি হতে পারেন নি আমজনতা। কিছুটা সাবধানী হয়েই বাজেটের খাতায় অঙ্ক বসিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। দ্বিতীয়বার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার আগে মোদী বাজেট নিয়ে যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তা হতাশ করেছে সাধারণ মানুষকে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মধ্যবিত্তদের খুশি করবার মত করিশ্মা দেখাতে পারেন নি নির্মলা।

এদিকে বাজেট পেশের একদিন পর শনিবার কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীর বক্তব্যেও স্পষ্ট অক্ষমতা ঢাকতে কিছুটা সাবধানী হয়েই সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ খুলছেন তিনি। তিনি এদিন বলেন, কেন্দ্রীয় হিসেবে রেলের জন্য বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ ১,৬০,৭৬ কোটি টাকা। তা তারা পেয়েছেন, তাতে তারা খুশি। পিপিপি ইনিশিয়েটিভ, যানবাহনের জন্য সুব্যবস্থার মাধ্যমে সরকার মেট্রো রেলের উন্নতি সাধনের চেষ্টা করছে।

অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে তিনি বলেন, উন্নত সংকেত ব্যবস্থা, উন্নত যাত্রী সুবিধা এবং স্টেশন উন্নয়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে রেল তার নিজের জায়গায় এগিয়ে চলেছে উন্নতির পথে। আমরা আমাদের মূলধন বাড়ানোর লক্ষ্যেও এগোচ্ছি। বিশেষ করে গত বছরের হিসেব দেখলেই তা বোঝা যায়।

কিন্তু হিসেব বলছে, গত বছর দেশ জুড়ে বিভিন্ন খাতে উঠে এসেছে রেলের অব্যবস্থার কথা। ট্রেন দুর্ঘটনা থেকে পেনট্রি কারে খাবার সরবরাহ নিয়েও যাত্রীদের কাছ থেকে মিলেছে নানা অভিযোগ!

অন্যদিকে এদিন হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বুলেট ট্রেন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “২০২২ কে কখনই ডেডলাইন বলা হয় নি। তবে আমরা ওই সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কিছুটা কাজ এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করব। জাপানি সংস্থার কথা অনুযায়ী তারা ২০২৩ সালেই কাজ শেষ করবেন। আমরা ওনাদের অনুরোধ করেছি যাতে ২০২২ সালের মধ্যে কিছুটা কাজ এগিয়ে যায়।”

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।