ঢাকা: জলদস্যুদের কবলে বাংলাদেশের ২৮ জন মৎস্যজীবী৷ বৃহস্পতিবার ভোররাতে ঘটনাটি ঘটে কক্সবাজারের সোনাদিয়া খাঁড়িতে৷ এদিন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাচ্ছিলেন প্রায় ২৮ জন মৎস্যজীবী৷ এমন সময় হঠাৎই তাদের ট্রলারে চড়াও হয় কয়েকজন জলদস্যু৷ আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ওই ট্রলারের সকল কর্মীদের আটক করে তারা৷ তবে সুযোগ বুঝে সকলের অলক্ষ্যে ওই ট্রলারের এক কর্মী জলে ঝাঁপ মারেন৷ খাঁড়ি সংলগ্ন এক গ্রামে গিয়ে স্থানীয়দের সব কথা জানান তিনি৷ ঘটনা জানার পরই খবর দেওয়া হয় স্থানীয় থানায়৷

এদিন কক্সবাজার বোট সমিতির সভাপতি মজিবুর রহমান জানিয়েছেন, ঘটনাটি ইতিমধ্যেই কোস্টগার্ড ও পুলিশকে জানানো হয়েছে৷ তাদের পক্ষ থেকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে৷ অন্যদিকে এদিনের ঘটনার জেরে খুব স্বাভাবিক ভাবেই অপহৃতদের পরিজনেরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন৷ ঘটনাস্থল সংলগ্ন এলাকায় ইতিমধ্যেই হাজির হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী৷ পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমেদ জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই অপহৃত মৎস্যজীবীদের উদ্ধার করা হবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।