স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: আরও একবার খবরে উঠে এল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নাম৷ হাসপাতালের ভিতরেই হাতেনাতে ধরা পড়ল পকেটমার৷ যাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় হাসপাতাল চত্বরে৷

জানা গিয়েছে, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের আউটডোরে স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন স্বস্তিপল্লীর বাসিন্দা রণজিৎ মালাকার৷ যথারীতি নিয়ম মেনে দাঁড়িয়েও ছিলেন লাইনে। আচমকাই তাঁর মনে হয় প্যান্টের পকেটের পিছনে টান পড়েছে৷ সঙ্গে সঙ্গে তিনি সজাগ হয়ে যান৷ চকিতেই ঘুরে দাঁড়িয়ে একেবারে হাতেনাতে ধরে ফেললেন পকেটমারকে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে হাসপাতাল চত্বর জুড়ে।

আরও পড়ুন : মিথ্যে অভিযোগে পুলিশি হেনস্থার শিকার বর্ধমান পুরসভার অফিসার

এর আগেও বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আসা রোগীদের কাছ থেকে টাকা সহ জিনিসপত্র ছিনতাই করার মত ঘটনা ঘটেছে। এমনকি রোগীদের ভুল বুঝিয়েও তাঁদের সোনার গহনা থেকে টাকা লোপাট করে গা ঢাকা দিয়েছে দুষ্কৃতীরা এমনটাও অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু এসব অভিযোগের মধ্যেই বুধবার বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের আউটডোরে শয়ে শয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের মাঝেই রীতিমত সাহসের উপর ভর করে পকেট মারতে গিয়ে একেবারে হাতেনাতে ধরা পড়ার ঘটনা প্রথম।

ধৃত ওই পকেটমারের নাম শরিফ সেখ। বাড়ি বর্ধমানের বিসি রোডে বলে জানা গিয়েছে। বর্ধমান হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের কর্মীরা তাকে পাকড়াও করে বর্ধমান থানায় পাঠিয়ে দেয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে আউটডোর বিভাগে ডাক্তার দেখাতে আসেন বর্ধমানের স্বস্তিপল্লী এলাকার বাসিন্দা রণজিৎ মালাকার। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী উর্মিলা মালাকার।

আরও পড়ুন : বিনা অনুমতিতে এলএলবি পড়ানোর দায়ে জরিমানা বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের

রণজিৎবাবুর অভিযোগ, আউটডোর সার্জারি বিভাগে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় ওই ব্যক্তি তার পিছন পকেটে হাত ভরে টাকা বের করার চেষ্টা করে। সঙ্গে সঙ্গে পিছন ফিরেই তাকে ধরে ফেলেন তিনি। এরপর তাকে হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। রণজিৎবাবুর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।