লে: ইন্দো-চিন সীমান্ত সংঘাতের রেশ এখনও কাটেনি, যা দ্রুত চলে যাওয়ার বিষয় নয়। তবে সময় কেটে গেলেও যা যাচ্ছে না তা স্মৃতি। ঠিক তেমনই যোদ্ধা ভারতীয় জওয়ানদের উদ্দেশ্যে এবার স্বরচিত কবিতাপাঠ করলেন কবি ফুঁসুক লাদাখি।

জুনের ১৫ তারিখ পূর্ব লাদাখে চিনের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে শহিদ হয়েছেন ২০ জন ভারতীয় জওয়ান। এছাড়াও সেখানে ছিলেন আরও অনেক বীর যোদ্ধা। তিনি এদিন নিজের ভাষায় সকল জওয়ানদের সাহসের গুণগান গেয়েছেন।

স্বরচিত সেই বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট বলেছেন, “खाके, खाके हां खाके सौगंध मिट्टी की, पीके, पीके हां पीके पानी सिंध का, खाके सौगंध मिट्टी की, पीके पानी सिंध का, शोला बनके बरसा, अरे शोला बनके बरसा”। যার অর্থ, “মাটির গন্ধ নিয়ে, সিন্ধুর জল পান করে আগুন হয়ে ঝড়ে পড়েছে যারা তাঁদের সেলাম”।

সীমান্ত সংঘর্ষের পরে কিছুদিন আগেই লাদাখের নিমু সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সীমান্তে দাঁড়িয়ে চিনের নাম না করেই পড়শি দেশকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তাঁর এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত ও সেনাপ্রধান জেনারেল এম এম নারাভানে। ভারতীয় সেনাদের জন্য উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র আমদানি করা হচ্ছে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লেহ ও লাদাখ পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে সেনাবাহিনী ও ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশের জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। তাঁদের মনোবল বাড়ান। দেশের জন্য যে ২০ জওয়ান শহিদ হয়েছেন তাঁদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তিনি।

একাধিক উচ্চপদস্থ বৈঠকেও মিলছে না কোনও সুরাহা। ইন্দো-চিন সীমান্ত সম্পর্কের ইতিহাসে ৪৫ বছর পরে এমন রক্তক্ষয় হয়নি সীমান্তে। চিনের সঙ্গে কোনভাবেই সমঝোতায় পৌঁছনো সম্ভব হচ্ছে না। ক্রমশ আগ্রাসন বাড়ছে চিনের। পূর্ব লাদাখে ২০ জন ভারতীয় সেনা শহিদ হয়েছেন তাই ভারত-চিন সীমান্ত সমস্যার সমাধান করতে কড়া প্রত্যাঘাত ফিরিয়ে দিতে উদ্যোগী ভারত। তাই অবৈধভাবে যারা ভারতীয় ভূখন্ড দখল করছে তাঁদের জন্য কঠোর বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ আনতে চলেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ