বেলফাস্ট: বিশ্বকাপের পরেই আফগানিস্তানের হেড কোচের দায়িত্ব ছাড়ছেন ফিল সিমন্স৷ নিজের সিদ্ধান্তের কথা আফগান ক্রিকেট সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের জানিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন ক্যারিবিয়ান ওপেনার৷

যদিও সিমন্সের সঙ্গে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তি শেষ হচ্ছে বিশ্বকাপের পরেই৷ তবে সিমন্সের কোচিংয়ে রশিদ খানদের সাফল্যের দিকে তাকিয়ে ক্যারিবিয়ান তারকার সঙ্গে চুক্তি বাড়িয়ে নেওয়ার পক্ষপাতি ছিল এসিবি৷ পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সিমন্স জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি চুক্তি নবিকরণে আগ্রহী নন৷

আরও পড়ুন: ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের আগে ৬টি কাউন্টি ম্যাচ খেলবেন অশ্বিন

২০১৭’র ডিসেম্বরে সিমন্সকে আফগানিস্তানের হোড কোচ নিযুক্ত করার সময় এসিবি একটিমাত্র লক্ষ্যের কথা জানিয়েছিল৷ সিমন্সের দায়িত্ব ছিল দলকে বিশ্বকাপের টিকিট এনে দেওয়া৷ যে দায়িত্বটা সাফল্যের সঙ্গে পালণ করেছেন তিনি৷ প্রাথমকি লক্ষ্য পূরণ হওয়ায় নতুন চ্যালেঞ্জের খোঁজে পুরনো দায়িত্ব ছাড়তে চাইছেন প্রাক্তন ওয়েস্ট ইন্ডিজ তারকা৷

নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে সিমন্স বলেন, ‘আমি এসিবি’কে নিজের ইচ্ছার কথা জানিয়েছি৷ আমি নতুন করে চুক্তিবদ্ধ হতে চাই না৷ নতুন কোনও চ্যালেঞ্জ নিতে হলে সরে দাঁড়ানোই শ্রেয় বলে মনে হয়েছে আমার৷ প্রাথমিকভাবে আমাকে একটা টার্গেট দেওয়া হয়েছিল৷ আমার কাজ ছিল দলকে বিশ্বকাপের টিকিট এনে দেওয়া৷ সেই কাজটা আমি যথাযথভাবে করতে পেরেছি বলেই আমার বিশ্বাস৷ মাঝের সময়টায় আমরা দারুণ ক্রিকেট খেলেছি৷ সব সব দিক দিয়েই উন্নতি করেছে৷ প্রতিপক্ষের সমীহ আদায় করে নিয়ে সক্ষম হয়েছি আমরা৷ আশা করি বিশ্বকাপেও ভালো কিছু করে দেখাতে পারব৷’

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের আগে একতরফা সিরিজ হার পাকিস্তানের

সিমন্সের সরে যেতে চাওয়ার পিছনে অবশ্য দলের নেতৃত্ব বদলের প্রসঙ্গ কাজ করতে পারে বলেও বিশ্বাস ক্রিকেটমহলের৷ কোচকে কিছু না জানিয়েই আসগর আফগানকে তিন ফর্ম্যাটের নেতৃত্ব থেকেই সরিয়ে দেয় ও দেশের ক্রিকেট বোর্ড ও নির্বাচকরা৷ এপ্রসঙ্গে সিমন্স বলন, ‘আমি এই সম্পর্কে কিছুই জানতাম না৷ এটা বোর্ড ও নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত ছিল৷ আমার মতামত নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেনি কেউ৷ এটা মেনে নেওয়া ছাড়া আমার কোনও উপায় ছিল না৷ তাই অহেতুল জলঘোলা না করে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির দিকে মন দেওয়াই উচিত মনে হয়েছে আমার৷’