অ্যান্টিগা: বিতর্কিতভাবে ছাঁটাই হওয়ার তিন বছর পর আবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোচের পদে ফিরলেন ফিল সিমন্স৷ আগামী চার বছরের জন্য দ্বিতীয় দফায় ক্যারিবিয়ান ক্রিকেট দলের হেড কোচ নিযুক্ত হলেন সিমন্স৷

২০১৫ আইসিসি বিশ্বকাপের ঠিক পরেই প্রথম দফায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের হেড কোচ নিযুক্ত হন সিমন্স৷ তবে বছর ঘুরতে না ঘুরতে কোচের পদ থেকে বিতর্কিতভাবে ছেঁটে ফেলা হয় সিমন্সকে৷ ২০১৬ টি-২০ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চ্যাম্পিয়ন করার ছ’মাসের মধ্যেই নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলায় চাকরি খোয়াতে হয় তাঁকে৷

আরও পড়ুন: অরুণাচলকে ২৩ রানে গুটিয়ে অভিযান শুরু বাংলার

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ছাড়াও আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তানকে কোচিং করিয়েছেন সিমন্স৷ আফগানিস্তান প্রথমবার বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করে সিমন্সের কোচিংয়েই৷ তবে তাঁকে অন্ধকারে রেখে আফগান বোর্ডের ক্যাপ্টেন্সি বদল নিয়ে খুশি হতে পারেননি সিমন্স৷ ফলে বিশ্বকাপের পর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন তিনি৷ ক’দিন আগে তাঁর কোচিংয়েই বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়র লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়৷

নতুন কোচ নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে তিন জনের নাম বিবেচনায় রেখেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোর্ড৷ সিম্নস ছাড়াও সেই তালিকায় ছিলেন হেইন্স ও রেইফার৷ দৌড়ে সিমন্সই এগিয়ে ছিলেন৷ সেই মতো তাঁর হাতেই ওঠে দায়িত্ব৷

আরও পড়ুন: রোনাল্ডোদের হারিয়ে ইউরোর টিকিট ইউক্রেনের

কোচ হিসাবে সিমন্সের নাম ঘোষণা করার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট রিকি স্কেরিট বলেন, ‘সিমন্সকে কোচের পদে ফেরানো শুধু অতীতের ক্রুটি শোধরানোই নয়, আমি আত্মবিশ্বাসী যে, ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ সঠিক সময়ে সঠিক লোককেই কোচ হিসাবে বেছে নিয়েছে৷’ একই সঙ্গে রিকি ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেইফারকেও৷