পুনে : আগামী সপ্তাহেই পুনেতে শুরু হতে চলেছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল। তৃতীয় পর্যায়ের হিউম্যান ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করতে চলেছে পুনের সেরাম ইনস্টিটিউট। স্যাসুন জেনারেল হসপিটালে এই তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হবে বলে খবর।

শনিবার স্যাসুন জেনারেল হসপিটালের ডিন ডঃ মুরলিধর থাম্বে এই তথ্য দেন সংবাদসংস্থা পিটিআইকে। তিনি জানান, কোভিশিল্ডের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হচ্ছে আগামী সপ্তাহে।

সোমবার থেকেই তা শুরু হতে চলেছে। প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন স্বেচ্ছাসেবক এই ট্রায়ালে অংশ নেবেন। শনিবার থেকেই ওই হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবকদের নাম নথিভুক্তিকরণের কাজ চলছিল।

এছাড়াও জানানো হয়েছে, যারা নাম নথিভুক্ত করতে চাইছেন তাঁদের হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলে ভারতি বিদ্যাপীঠ মেডিক্যাল কলেজ ও কেইএম হাসপাতালে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকাই ভারতে তৈরি করছে সেরাম।

আদৌ নিরাপদ তো, প্রশ্ন উঠতেই করোনার ভ্যাকসিনের ট্রায়াল বন্ধ করে দেয় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা। যে স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর হিউম্যান ট্রায়াল চলছিল, তাঁদের মধ্যে একজনের শারীরিক পরিস্থিতিতে কিছুটা সন্দেহজনক পার্থক্য নজরে আসে।

সেই বিষয়ের ওপর প্রাথমিক ভাবে নজরদারি করতেই ট্রায়াল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় অক্সফোর্ড। পরে তা আবার চালু হয়। উল্লেখ্য সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান আদর পুনাওয়ালা দাবি করেন করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কার হওয়ার পরেও সবাই তা নাও পেতে পারেন।

গোটা বিশ্বে মাস ভ্যাকসিনেশন প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় লেগে যেতে পারে কমপক্ষে চার থেকে পাঁচ বছর। ২০২৪ সাল পর্যন্ত ভ্যাকসিনের যোগানে কিছুটা হলেও ঘাটতি থাকবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন সেরাম কর্তা। পুনাওয়ালা জানান বিশ্বের সব মানুষের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রগুলির হলেও, বিপুল জনসংখ্যা এই কাজে ব্যাঘাত ঘটাবে।

এই বিশাল সংখ্যায় ভ্যাকসিন উৎপাদন করা খুবই সমস্যার ও সময়সাপেক্ষ বলে মনে করেন তিনি। এখনও পর্যন্ত ভারতে মাস ভ্যাকসিনেশনের জন্য কোনও নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়নি। ফলে ৪০০ মিলিয়ন মানুষের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছতে ২০২৪ সালের শেষ পর্যায় পৌঁছবে।

ফলে সেরাম পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন উৎপাদন যদি করতেও পারে, তা বন্টন করা সমস্যার হবে। পুনাওয়ালা বলেন গোটা বিশ্বে ১৫ বিলিয়ন ডোজ দরকার, যদি দুটি ডোজে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। রোটা ভাইরাসের মতোই এই করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিনও দুই ডোজে দেওয়া দরকার বলে মনে করছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.