স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: এবার পোস্ট গ্র্যাজুয়েশনের পরীক্ষা দিতে অন্য পরীক্ষাকেন্দ্রে যেতে হবে পরীক্ষার্থীদের। সামনের শিক্ষাবর্ষ থেকে এই পথেই হাঁটতে চলেছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চাইছে শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে যেতে। তাই স্বচ্ছতার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নিতে চলেছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। সোমবার এমনটাই জানান কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়।

পশ্চিমবঙ্গের কোনও বিশ্ববিদ্যালয় এমন পন্থা অবলম্বন করতে চলেছে। কলেজের ক্ষেত্রে পরীক্ষা দিতে ছাত্রছাত্রীদের যেমন অন্য পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে হয় ঠিক তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীদেরও যেতে হবে। এক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আরও স্পষ্ট হবে। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সাংবাদিক বৈঠক ডাকেন উপাচার্য। পোস্ট গ্রাজুয়েশনের ভরতির আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনে করার সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা গ্রহণও পর্বও অনুষ্ঠিত হবে অনলাইনে। একথা সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরতেই সাংবাদিক বৈঠক ডাকেন উপাচার্য।

এই বৈঠকেই তিনি জানিয়ে দেন, সামনের শিক্ষাবর্ষ থেকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশনের পরীক্ষা দিতে অন্য পরীক্ষাকেন্দ্রে যেতে হবে পরীক্ষার্থীদের। এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণের পথেই হাঁটতে চলেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে উপাচার্যের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য আশিস চট্টোপাধ্যায় ও সায়েন্স বিভাগের সচিব অমিত রায়। এদিন সাংবাদিকদের সামনে অবতীর্ণ হয়ে তাঁরা তাঁদের নয়া উদ্যোগ নিয়ে সবিস্তারে জানান। ভরতির ক্ষেত্রে প্রবেশিকা পরীক্ষার জন্য ছাত্রছাত্রীরা অনলাইনে আবেদন করেছেন। তেমনই প্রবেশিকা পরীক্ষার পরীক্ষা গ্রহণ প্রক্রিয়াও হবে সেই অনলাইনেই।

ভরতির ক্ষেত্রে স্বচ্ছ থেকে স্বচ্ছতর হয়ে শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা গ্রহণের পদ্ধতি এগিয়ে নিয়ে যেতেই এই উদ্যোগ নিতে চলেছেন তাঁরা বলেও এদিন জানানো হয় তাঁদের তরফে।
এদিন উপাচার্য সাংবাদিকদের জানান, “ইন্ডিয়া টুডে’র র‍্যাঙ্কিংয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে। রাজ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। সেই সঙ্গে সুখবর, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় যেমন তাদের অনলাইন ভরতি প্রক্রিয়া করছে তেমনই প্রবেশিকা পরীক্ষাও অনলাইন করা হল।

যেটা পশ্চিমবঙ্গের আর কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই। দ্রুততার সঙ্গে পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে ফলফলও দ্রুত জানা যাবে। সামনের শিক্ষাবর্ষ থেকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশনের পরীক্ষা দিতে অন্য পরীক্ষাকেন্দ্রে যেতে হবে পরীক্ষার্থীদের। আমরা এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দিকেই এগোচ্ছি।”