pfizer vaccine
ফাইজার ভ্যাকসিন (ফাইল ছবি)

টোকিও: আমেরিকা, ব্রিটেন, ভারত সহ বিশ্বের বহু দেশে শুরু হয়ে গিয়েছে করোনার টিকাকরণ। কিন্তু জাপানে করোনার টিকাকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। অথচ সামনে টোকিও অলিম্পিক। তাই এবার ফাইজার করোনা ভ্যাকসিনকে অনুমোদন দিল জাপান। এই প্রথম কোনও করোনা টিকাকে এই দেশ অনুমোদন দিল।

জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, ফাইজারের করোনা ভ্যাকসিনকে ইতিমধ্যেই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এতদিন জাপানে এই ভ্যাকসিনের ক্লিনিকাল ট্রায়াল চলছিল। শুক্রবার তার ফলাফল আসে। তারপরই ফাইজারকে অনুমোদন দেওয়া হয়। ক্লিনিকাল ট্রায়ালে দেখা গিয়েছে এই ভ্য়াকসিন মোটের উপর জাপানের মানুষকে সুরক্ষা দিতে সমর্থ। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে বহু দেশে ফাইজার ভ্য়াকসিন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

বর্তমান পরিকল্পনা অনুসারে প্রথমে জাপানে হাসপাতালগুলির ২০ হাজার মেডিক্যাল ওয়ার্কারকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। বুধবার তাঁদের প্রথম ডোজ দেওয়া হবে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে খবর। তারপর অন্য়ান্য মেডিক্যাল ওয়ার্কারকে দেওয়া হবে টিকা। এই সংখ্য়াটি প্রায় ৩.৭ লক্ষ। মনে করা হচ্ছে এপ্রিলের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে। জুন থেকে দেশের সাধারণ মানুষ করোনা টিকা পেতে শুরু করবেন। এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে, ফাইজার থেকে জাপান ১৪৪ মিলিয়ন টিকা নেবে। অ্যাস্ট্রোজেনেকা থেকে ১২০ মিলিয়ন ও মডার্না থেকে ৫০ মিলিয়ন করোনা টিকা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, জরুরি ভিত্তিতে যাতে করোনা টিকা দেওয়া যায় তাই ভারতে ছাড়পত্র চেয়েছিল ফাইজার। কিন্তু সম্প্রতি সেই আবেদন তুলে নিয়েছে সংস্থা। সংবাদ সংস্থাকে একটি বিবৃতি দিয়ে ফাইজারের তরফে জানানো হয়েছে, আলোচনার পর ও সমস্ত তথ্য বিবেচনার পর এই সিদ্ধান্তে আসা হয়েছে যে জরুরি ভিত্তিতে ফাইজারের করোনা ভ্যাকসিন ব্যবহারের আবেদন পত্র তুলে নেওয়া হবে। টিকা ব্যবহারের জন্য যে তথ্য প্রয়োজন সেগুলি একত্রিত করার পর ভবিষ্যতে ফের কোম্পানির তরফে আদবেদন জানানো হবে। ফাইজার গত বছরই ভারতে তাদের ভ্যাকসিন প্রবেশের অনুমতি চেয়েছিল। কিন্তু ভারত অপেক্ষাকৃত সস্তার ২টি টিকাকে অনুমোদন দেয়। একটি হল অ্যাস্ট্রোজেনেকা ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্য়ালয়ের কোভিশিল্ড, অন্যটি দেশীয় ভ্যাকসিন ভারত বায়োটেক ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের কোভ্যাক্সিন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.