pfizer vaccine
ফাইজার ভ্যাকসিন (ফাইল ছবি)

নয়াদিল্লি: জরুরি ভিত্তিতে যাতে করোনা টিকা দেওয়া যায় তাই ভারতে ছাড়পত্র চেয়েছিল ফাইজার। কিন্তু সম্প্রতি সেই আবেদন তুলে নিয়েছে সংস্থা। বুধবার দেশের ড্রাগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার সঙ্গে ফাইজারের বৈঠক ছিল। তারপরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সংবাদ সংস্থাকে একটি বিবৃতি দিয়ে ফাইজারের তরফে জানানো হয়েছে, আলোচনার পর ও সমস্ত তথ্য বিবেচনার পর এই সিদ্ধান্তে আসা হয়েছে যে জরুরি ভিত্তিতে ফাইজারের করোনা ভ্যাকসিন ব্যবহারের আবেদন পত্র তুলে নেওয়া হবে। টিকা ব্যবহারের জন্য যে তথ্য প্রয়োজন সেগুলি একত্রিত করার পর ভবিষ্যতে ফের কোম্পানির তরফে আদবেদন জানানো হবে। প্রসঙ্গত ফাইজার গত বছরই ভারতে তাদের ভ্যাকসিন প্রবেশের অনুমতি চেয়েছিল। কিন্তু ভারত অপেক্ষাকৃত সস্তার ২টি টিকাকে অনুমোদন দেয়। একটি হল অ্যাস্ট্রোজেনেকা ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্য়ালয়ের কোভিশিল্ড, অন্যটি দেশীয় ভ্যাকসিন ভারত বায়োটেক ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের কোভ্যাক্সিন।

উল্লেখ্য দিন কয়েক আগেই জরুরি ভিত্তিতে যাতে করোনা টিকা দেওয়া যায় তার জন্য আবেদন করেছিল। ভারতের সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (সিডিএসসিও) জানিয়েছে, ডিসেম্বরের গোড়ায় আবেদন করার পর আর বৈঠক করেনি ফাইজার কর্তৃপক্ষ৷ এছাড়াও ভারতে স্থানীয় ট্রায়াল ছাড়াই ফাইজারের ভ্যাকসিনের সুরক্ষা এবং ইমিউনোজেনিসিটি সম্পর্কে অনুমোদন দেওয়ার আর্জি নাকোচ করে দেয় রেগুলেটর৷ ফাইজারের দাবি, তাদের আবেদন সারা বিশ্বব্যাপী সমীক্ষার উপর ভিত্তি করেই করা হয়েছে৷ যেখানে দেখা গিয়েছে এই টিকা ৯৫ শতাংশ কার্যকর৷

ভ্যাকসিন সম্পর্কিত কোনও গুরুতর সংস্যা নেই৷ সংস্থার তরফে আরও বলা হয়েছে, একই তথ্যের উপর ভিত্তি করে ব্রিটেন, আমেরিকা, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং কানাডায় এই ভ্যাকসিন তৈরি করেছে তাদের জার্মান সহযোগী সংস্থা বায়োএনটেক৷ স্থানীয় ট্রায়ালের দাবির ভিত্তিতে এই সংস্থার তরফে ইমেল মারফত জানানো হয়েছিল, ‘‘সংগৃহীত ডাটা বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থা দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে৷ এই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই ইইউএ দেওয়া হয়েছিল৷ ফাইজার আরও জানায়, ‘‘সরকারি সরবরাহকে অগ্রাধিকার দিয়ে আমরা ভ্যাকসিন সরবরাহের ক্ষেত্রে সরকারের তরফে নিশ্চয়তা চাইছি৷ যার ভিত্তিতে আমরা রেগুলেটরি প্রসেসকে এগিয়ে নিয়ে যাব৷ যেমনটা আমরা সারা বিশ্বে করেছি৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.