ওয়াশিংটন: মার্কিন ওষুধ সংস্থা Pfizer দাবি করছে, এই বছরের অক্টোবরের শেষে ‌ করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা এসে যাবে। এই ওষুধ সংস্থাটি জার্মান সংস্থা BioNTech এর সঙ্গে ইউরোপ এবং আমেরিকায় সম্ভাব্য প্রতিষেধক টিকা নিয়ে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালাচ্ছে।

ফাইজারের সিইও‌ অ্যালবার্ট বু্রলা টাইমস অফ ইসরাইলকে জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবং ‌ ভাগ্য সহায় হলে তাদের কাছে প্রচুর প্রমাণ মিলবে যার নিরাপত্তার এবং কার্যক্রম ক্ষমতার দ্বারা এটা মোকাবিলা করবেন। আশা করছেন মোটামুটি ‌ অক্টোবরের শেষাশেষি ওই প্রতিষেধক পেয়ে যাবেন। এই প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে যুক্তরাজ্যের ওষুধ সংস্থা Astra Zeneva এর প্রধান পাস্কাল সোরিয়ট যিনি জানিয়েছেন, এক অথবা একাধিক করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন এই বছরের(২০২০) শেষে বাজারে এসে যাওয়ার শুরু করবে।

এই ওষুধ সংস্থাটি যৌথভাবে কাজ করছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যাতে ওই ভ্যাকসিন তৈরি করে তা ব্রিটেনে বন্টন করতে পারে। সোরিয়ট জানিয়েছেন, বেশিরভাগ মানুষই আশা করছেন তারা এই ভ্যাকসিন পেয়ে যাবেন আর সেটা পেয়ে যাবেন এই বছরের শেষের দিকে। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে তারা এই বিষয়ে সময়ের সঙ্গে লড়ছেন।

ওই প্রতিবেদন অবশ্য বিশেষজ্ঞদের মারফত সতর্ক করেছে, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে ভয়ের বিষয় হল করোনা অতি মহামারী আটকাতে ১৫ মিলিয়ন ভ্যাকসিন ডোজ দরকার হবে। ওই সংবাদ প্রতিবেদন উল্লেখ করেছে সোরিয়টের বক্তব্য, ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে অন্যতম উদ্বেগের কারণ হল সংক্রমণের হার কমে যাওয়া যার ফলে স্বাভাবিক অবস্থায় কোভিড-১৯ এর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ঠিকমতো চালিয়ে যাওয়া।

ওই প্রতিবেদন আরও জানায়, গোটা দুনিয়া জুড়ে ১০০ বেশি গবেষণাগার কাজ করছে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কার করার জন্য। এদের মধ্যে ১০টি রয়েছে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল স্তরে। ইতিমধ্যে গোটা বিশ্বে পাঁচ মিলিয়ন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং সাড়ে তিন লক্ষ লোকের মৃত্যু ঘটেছে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প