নিউ ইয়র্ক: আমেরিকান সংস্থা ফাইজার-বায়োএনটেক ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের উপর করোনার ভ্যাকসিন পরীক্ষা করা শুরু করেছে।সংস্থাটি আশা করছে যে টিকা দেওয়ার বয়সসীমা ২০২২ সালের মধ্যে বাড়ানো যাবে।ফাইজারের মুখপাত্র শ্যারন কাস্টিলো জানিয়েছেন, বুধবার প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষার জন্যে স্বেচ্ছাসেবীদের প্রথম ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে।

গত সপ্তাহে মারডানা এই জাতীয় একটি পরীক্ষাও শুরু করেছে, এটি একটি পেডিয়াট্রিক ট্রায়াল যা ৬ মাস বয়সী শিশুদের কভার করবে।বর্তমানে শুধুমাত্র ফাইজার / বায়োএনটেক ভ্যাকসিনটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৬ এবং ১৭-বছরের বাচ্চাদের ব্যবহৃত হচ্ছে।মারডানার ডোজটি ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের দেওয়া হচ্ছে।তবে এখনও ছোট বাচ্চাদের জন্য কোনও COVID-19 ভ্যাকসিন অনুমোদিত হয়নি।

ফাইজার এবং বায়নটেক পরবর্তী সময়ে তরুণদের মধ্যে অ্যান্টিবডি স্তর পরিমাপ করে এই ট্রায়ালটি প্রসারিত করার পরিকল্পনা করেছে, এবং ভ্যাকসিন দ্বারা নাগরিকদের সুরক্ষা, সহনশীলতা এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা পরীক্ষা করবে বলে জানা গিয়েছে।কাস্টিলো বলেন যে,ফাইজার ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সের শিশুদের মধ্যে এই ভ্যাকসিন পরীক্ষা করছে। ২০২১ সালের দ্বিতীয়ার্ধে এই ট্রায়ালের আশানুরূপ রিপোর্ট পাওয়া যাবে।

ডিসেম্বরের শেষের দিকে ফাইজার-বায়োএনটেক করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনে অনুমোদন দিয়েছিল ইউরোপীয় ইউনিয়নের ড্রাগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা । তারা এও জানায়, এই ভ্যাকসিন ব্রিটেনে পাওয়া করোনা ভাইরাসের নতুন স্ট্রেনের বিরুদ্ধে কাজ করবে না এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় নি৷ তারপর কয়েক দিনের মধ্যেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশ জুড়ে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়।২০২১কে সুরক্ষিত রাখতে ফাইজার ভ্যাকসিন ব্যবহারের জরুরিকালীন অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। হু-এর এই অনুমোদনের ফলে অনেক দেশই উপকৃত হয়েছে।

ভারতে আপাতত দুটি ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। একটি অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রোজেনেকার তৈরি ‘কোভিশিল্ড’। এছাড়াও ভারত বায়োটেক ও আইসিএমআর-এর তৈরি কোভ্যাকসিনও দেওয়া হচ্ছে দেশজুড়ে। রিপোর্ট জানাচ্ছে বর্তমানে ৩৪ লক্ষ মানুষ রোজ ভ্যাকসিন পাচ্ছেন। সেই সংখ্যা দিন প্রতি ৪০ থেকে ৪৫ লক্ষ করতে হবে। তবেই করোনার বিরুদ্ধে সঠিক ভাবে জোরদার লড়াই সম্ভব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.