নয়াদিল্লি:  গোটা বিশ্বে মহামারীর আঁকা নিয়েছে করোনা। একদিকে মৃত্যু মিছিল অন্যদিকে ক্রমশ বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। করোনা ভাইরাসের কারণে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে গোটা বিশ্ব। যার ফলে ডুবতে বসেছে বিশ্ব অর্থনীতি। ভারতেও একই অবস্থা। এই পরিস্থিতিতে টানা ২১ দিনের লক ডাউন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিশ্বের পাশাপাশি ভারতের অর্থনীতিতেও বড়সড় ঝটকা লাগার আশঙ্কা।

একদিকে দেশের বেকারাত্বের হার বাড়ছে অন্যদিকে করোনা ভাইরাসে স্তব্ধ সমস্ত কিছু। এই পরিস্থতিতে চাকরির বাজারে ধাক্কা লাগার শঙ্কা। করোনার কারণে বহু মানুষের চাকরি যেতে পারে বলে ইতিমধ্যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিভিন্ন বণিকমহল। যদিও বেসরকারি ক্ষেত্রে শ্রমিক এবং কর্মীরা যাতে চাকরি না হারান তার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার।

সংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মীদের স্বার্থ রক্ষার্থে মোট ৫০০০ কোটি টাকা খরচ করবে কেন্দ্রীয় সরকার। আজ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই জানিয়েছেনে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। অন্যদিকে, আগামী তিনমাসের জন্যে পিএফের টাকা দিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। ছোট সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে কর্মচারীদের পিএফের টাকা দিয়ে দেবে মোদী। তবে এক্ষেত্রে কিছু শর্ত রয়েছে। নির্মলা সীতারমণ জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে সেই সব সংস্থার ক্ষেত্রে যাদের লোক সংখ্যা ১০০ কম।

শুধু তাই নয়, ৯০ শতাংশ কর্মী মাসে পনেরো হাজারের কম মাইনে পান। তাদের ক্ষেত্রে এমপ্লয়ার্স কনট্রিবিউশন ও এমপ্লয়ী কনট্রিবিউশন, দুটিই দিয়ে দেবে মোদী সরকার। এছাড়া ৪.৮ কোটি কর্মচারীকে সুবিধা দিতে সরকার ইপিএফও সংক্রান্ত বিধি পরিবর্তন করেছে যাতে ইপিএফও থেকে কর্মীরা তাদের৭৫ শতাংশ নন রিফান্ডেবল অগ্রিম অথবা তিন মাসের বেতন যেটি কম তা তুলে নিতে পারবে।

এক্ষেত্রে ছোট সংস্থাগুলি কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। বণিকমহল মনে করছেন, কর্মচারীদের জন্যে পিএফের টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে ছোট সংস্থাগুলির বড় একটা চাপ থাকে। শুধু তাই নয়, করোনার কারণে দেশের ছোট এবং বড় সংস্থা প্রবল ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে। সেদিকে তাকিয়েই মোদী সরকারের এহেন সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

অর্থাত্ বেসিক ও ডিএ-এর ওপর যে মোট ২৪ শতাংশ টাকা প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা পড়ে, পুরো টাকাটাই দেবে কেন্দ্র।সরকারের আশা বেসরকারি সংস্থাদের ভার কিছুটা লাঘব করলে তারা কর্মীদের ছাঁটাই করবেন না। বিশেষত করোনার থাবা ছোটো ও মাঝারি মাপের শিল্প সংস্থাগুলির ওপর সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে যাদের সামর্থ্য কম। তাদের ক্ষতিতে কিছুটা প্রলেপের জন্যেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরজন্য ৫০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।