নয়াদিল্লি;  অবশেষে দাম কমল পেট্রোল-ডিজেলের। গত দু’দিন পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত থাকার পর দাম কমেছে। যদিও তা খুবই কম। লিটার পিছু পেট্রোলে দাম কমেছে ২ থেকে ৬ পয়সা। ডিজেলের ক্ষেত্রেও দাম কমেছে। জানা গিয়েছে, ডিজেলে লিটার পিছু দাম কমেছে ২ থেকে ৫ পয়সা। দেশের চার মেট্রো সিটিতেই পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম কমেছে। কিছুটা হলেও জ্বালানির দাম কমায় স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ।।

পড়ুন আরও- কাশ্মীর থেকে দ্রুত সমস্ত বাঙালি শ্রমিকদের ফেরার নির্দেশ মমতার

সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর মোতাবেক মুম্বই এবং চেন্নাইয়ে পেট্রোলে লিটার পিছু দাম কমেছে মাত্র তিন পয়সা। দিল্লি এবং কলকাতাতেও দাম কমেছে জ্বালানির। লিটার পিছু ৬ থেকে ২ পয়সা দাম কমেছে পেট্রোলের। ডিজেলেও চার মেট্রো সিটিতে দাম কমেছে। দিল্লিতে লিটার পিছু দাম কমেছে ৫ পয়সা। চেন্নাইতে তিন পয়সা দাম কমেছে। মুম্বই এবং কলকাতাতে ডিজেলের দাম কমেছে লিটার পিছু ২ পয়সা।

পড়ুন আরও- বাথরুমে নিজের বোনের ছবি, প্রেমিককে পাঠাল দিদি

ইন্ডিয়ান ওয়েলের ওয়েবসাইট জানাচ্ছে পেট্রোলে দিল্লি, কলকাতা, মুম্বই এবং চেন্নাইতে যথাক্রমে দাম কমে হয়ে হয়েছে ৭২ টাকা ৯৬ পয়সা, ৭৫ টাকা ৫৫ পয়সা, ৭৮ টাকা ৫১ পয়সা এবং ৭৫ টাকা ৬৯ পয়সা। ডিজেলের ক্ষেত্রে এই চার মেট্রো শহরগুলিতে যথাক্রমে দাম হয়েছে ৬৫ টাকা ৮০ লিটার, ৬৮ টাকা ১৯ পয়সা, ৬৮ টাকা ৯৯ পয়সা এবং ৬৯ টাকা ৫২ পয়সা।

গত মাসে পেট্রোল এবং ডিজেলের ক্ষেত্রে মাত্র মোট দেড় টাকা কমেছে দাম। তবে মনে করা হচ্ছে আগামীদিনে আরও কিছুটা কমতে পারে দাম।

পড়ুন আরও- কালীঘাটে ভাইফোঁটার তিনদিনের মধ্যেই শোভনের নিরাপত্তা ফেরাল নবান্ন

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।