নয়াদিল্লি : পয়লা বৈশাখে জ্বালানির দাম কমেছিল। স্বস্তির আভাস মিলেছিল। তবে তারপর থেকে আর দাম কমেনি পেট্রোল ডিজেলের। আজ শনিবার দাম শুক্রবারের মতোই অপরিবর্তিত রয়েছে।

শনিবার তেলের দাম দিল্লিতে ৯০.৪০ টাকা ৷ ডিজেল ৮০.৭৩ টাকা ৷ মুম্বইয়ে লিটার প্রতি পেট্রোলের দাম ৯৬.৮৩ টাকা, ডিজেলের দাম ৮৭.৮১ টাকা ৷ কলকাতায় পেট্রোলের দাম ৯০.৬২ টাকা, ডিজেলের দাম ৮৩.৬১ টাকা ৷ চেন্নাইয়ে পেট্রোলের দাম ৯২.৪৩ টাকা, ডিজেলের দাম ৮৫.৭৫ টাকা।

শুক্রবার পেট্রোলের দাম ছিল দিল্লিতে ৯০.৪০ টাকা ৷ ডিজেল ৮০.৭৩ টাকা ৷ মুম্বইয়ে লিটার প্রতি পেট্রোলের দাম ৯৬.৮৩ টাকা, ডিজেলের দাম ৮৭.৮১ টাকা ৷ কলকাতায় পেট্রোলের দাম ৯০.৬২ টাকা, ডিজেলের দাম ৮৩.৬১ টাকা ৷ চেন্নাইয়ে পেট্রোলের দাম ৯২.৪৩ টাকা, ডিজেলের দাম ৮৫.৭৫ টাকা ৷

অন্যদিকে, নয়ডায় ১ লিটার পেট্রোলের দাম ৮৮.৭৯ টাকা, ডিজেলের দাম ৮১.১৯ টাকা ৷ বেঙ্গালুরুতে পেট্রোলের দাম ৯৩.৪৩ টাকা ৷ ডিজেলর ৮৫.৬০ টাকা ৷ পটনায় লিটার প্রতি পেট্রোলের দাম ৯২.৭৪ টাকা, ডিজেলের দাম ৮৫.৯৭ টাকা ৷ লখনউতে পেট্রোল ৮৮.৭২ টাকা প্রতি লিটার হিসেবে বিক্রি হচ্ছে ৷ ডিজেল ৮১.১৩ টাকা ৷

সাধারণত আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ও ডলারের তুলনায় টাকার মূল্যের উপর নির্ভর করে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম ৷ প্রতিদিন সকাল ৬টায় পেট্রোল ও ডিজেলের নতুন দাম জারি করে থাকে তেল সংস্থাগুলি ৷ সরকারি তেল সংস্থার ওয়েবসাইট ও এসএমএস-এর মাধ্যমেও পেট্রোল ও ডিজেলের দাম জানতে পারবেন সহজেই৷

প্রসঙ্গত তেলের উপরে বেশি এক্সাইজ ডিউটি নেওয়ার জেরে দেশের বিভিন্ন শহরে পেট্রোলের দাম প্রতি লিটারে ১০০ টাকার বেশি হয়ে গিয়েছে ৷ এখনও পর্যন্ত সরকার ১৩ বার এক্সসাইজ ডিউটি বৃদ্ধি করেছে ৷ পেট্রোল ও ডিজেলের শেষবার মে ২০২০-তে এক্সসাইজ ডিউটি বাড়ানো হয়েছিল ৷ এক্সসাইজ ডিউটি কেন্দ্র সরকারের তরফে লাগু করা হয়েছে ৷ কেন্দ্র সরকার এখনও পেট্রোলের উপর ৩২.৯০ টাকা ও ডিজেলে ৩১.৩৮ টাকা প্রতি লিটারে এক্সসাইজ ডিউটি নিয়ে থাকে ৷

পেট্রোলের বেস প্রাইস এখন ৩৩ টাকা ও ডিজেলের বেস প্রাইস ৩৪ টাকার কাছাকাছি ৷ এর উপর কেন্দ্র সরকার ৩৩ টাকা এক্সাইজ ডিউটি৷ এর উপর রাজ্য সরকার তাদের হিসেব ভ্যাট ও সেস লাগু করে থাকে ৷ এর জেরে বেস প্রাইসের থেকে প্রায় তিনগুণ বেড়ে যায় তেলের দাম ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.