নয়াদিল্লি: ভোট বড় বালাই! বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের মুখে পেট্রোপণ্যের উপর থেকে কর কমিয়ে নিতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার। তারই জেরে দাম কমার সম্ভাবনা পেট্রোল-ডিজেলের। যদিও এব্যাপারে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি।

দেশে লাগামছাড়া পেট্রোল-ডিজেলের দাম। একাধিক রাজ্যে পেট্রোলের দাম সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে। পেট্রোলের ঘাড়েই নিঃশ্বাস ফেলছে ডিজেল। গত কয়েকমাস ধরেই পেট্রোল-ডিজেলের লাগাতার দাম-বৃদ্ধিতে এবার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামও বাড়তে শুরু করেছে। করোনাকালে যান নিয়ে ঘোর বিপাকে আম আদমি। করোনা মোকাবিলায় গত বছর একটানা লকডাউনের জেরে বহু মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছিলেন। আজও যাঁদের অনেকেই মূল পেশায় ফিরতে পারেননি। সংসার টানতে বাধ্য হয়েই জীবিকার জন্য অনেকে বেছে নিয়েছেন ভিন্ন পথ। এর উপর পেট্রোল-ডিজেলের লাগাতার দাম-বৃদ্ধিতে ঘোরতর আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

গত এক মাসে ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে পেট্রোল ডিজেলের দাম। ৮০ পেরিয়ে ৯০ ছাড়িয়েছে পেট্রোলের দাম। ডিজেল অনেক জায়গাতেই ৯০ ছুঁইছুঁই। কোথাও-কোথাও আবার পেট্রোল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে। গত এক মাসেই এমন হারে বেড়েছে পেট্রোল-ডিজেলের দাম। মুম্বইয়ে পেট্রোলের দাম বৃদ্ধি হয়েছে ৪.৮৭ শতাংশ, কলকাতায় ৪.০১ শতাংশ, দিল্লিতে ৫.৩৪ শতাংশ বেড়েছে পেট্রোলের দাম, চেন্নাইয়ে দাম বৃদ্ধি হয়েছে ৪.৬১ শতাংশ। চেন্নাইয়ে ডিজেলের দাম বেড়েছে ৫.৪৮ শতাংশ।

দিল্লিতে ৬.১২ শতাংশ, মুম্বইয়ে ৫.৯৮ শতাংশ, কলকাতায় ৫.০৬ শতাংশ। বুধবার দিল্লিতে পেট্রোলের দাম ৯১ টাকা ১৭ পয়সা প্রতি লিটার। ডিজেলের দাম রয়েছে ৮১ টাকা ৪৭ পয়সা। মুম্বইয়ে পেট্রোলের দাম ছিল ৯৭ টাকা ৫৭ পয়সা। ডিজেলের দাম রয়েছে ৮৮ টাকা ৬০ পয়সা।কলকাতায় পেট্রোলের দাম ৯১ টাকা ৩৫ পয়সা। ডিজেলের দাম রয়েছে ৮৪ টাকা ৩৫ পয়সা। চেন্নাইয়ে পেট্রোলের দাম ৯৩ টাকা ২০ পয়সা। ডিজেলের দাম রয়েছে ৮৬ টাকা ৫৩ পয়সা।

তবে এবার নাকি পেট্রোল-ডিজেলের উপর থেকে কর কমানোর চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোট শিয়রে। ভোটের কথা মাথায় রেখেই এবার পেট্রোপণ্যের উপর থেকে কর কমানোর ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে। তবে এব্যাপারে স্পষ্ট করে কেন্দ্রের তরফে কিছু জানানো হয়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।