জয়পুর: উন্নয়নমূলক প্রকল্পের টাকায় দুর্নীতি হচ্ছে৷ এই অভিযোগ তুলে তথ্য জানার অধিকার আইনে উন্নয়নমূলক কাজের টাকা কোন খাতে ব্যয় হয়েছে তা বিস্তারিত চান বিকাশ চৌধুরী এবং মনোহর লাল নামে দুই ব্যক্তি৷ জবাবে প্রশাসনের তরফে পাঠানো হয় সিল করা একটি বাক্স৷ বাক্সটি খুলতে ভিরমি খাওয়ার জোগাড় বিকাশ ও মনোহরের৷ কারণ বাক্সটি খুলতেই বেরিয়ে আসে ব্যবহার করা কন্ডোমের প্যাকেট৷

ঘটনাটি রাজস্থানের একটি গ্রামের৷ বিষয়টি জানার পর প্রশাসনের তরফে তদন্ত শুরু হয়েছে৷ তবে প্রশাসনের কর্তারা জানাচ্ছেন, এটা দুই গোষ্ঠীর বিবাদের ফলও হতে পারে৷ গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধানের বক্তব্যেও একই ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে৷ তিনি জানান, এই ঘটনার তদন্ত হওয়া উচিত৷ যাঁরা পিটিশন জমা দিয়েছেন এটা তাদেরই কাজ কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার৷ হতেই পারে পঞ্চায়েত প্রধানকে বদনাম করতে কন্ডোম ভরতি বাক্স নিজেরাই মেল করে গ্রামে পাঠিয়েছে৷

রাজস্থানের হনুমানগড় জেলার বাসিন্দা বিকাশ ও মনোহর গত বছর এপ্রিল মাসে স্থানীয় প্রশাসনকে একটি আরটিআই করেন৷ ২০০১ সাল থেকে শুরু হওয়া উন্নয়নমূলক প্রকল্পের টাকায় প্রচুর দুর্নীতি হয়েছে৷ সেই বিষয়ে জানতে আরটিআই করেন তারা৷ নিয়ম অনুযায়ী আরটিআই করার একমাসের মধ্যে জবাব পেয়ে যাওয়া কথা৷ এক্ষেত্রে জবাব আসে সম্প্রতি৷ পিটিশনারদের দাবি, গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে তাদের কাছে একটি পার্সেল পাঠানো হয়৷ বিকাশ সেই পার্সেলটি খোলেন৷ পার্সেলটি দেখে হতভম্ব হয়ে যান৷ পার্সেলে থাকা বাকি খামগুলি দেখার জন্য বিডিওকে ডাকা হয়৷ কিন্তু তিনি না আসায় বাকি খামগুলি গ্রামের মানুষদের সামনে খোলা হয়৷ সেই খামগুলি থেকেও কন্ডোমের প্যাকেট পাওয়া যায়৷