প্রতীকী ছবি

হাওড়া: সাঁতরাগাছিতে চোরের আতঙ্ক। চোর সন্দেহে বেধড়ক পেটানো হল এক টোটো চালককে। তাকে রাস্তায় ফেলে মারধর করলেন হাওড়ার সাঁতরাগাছি থানা এলাকার গভর্নমেন্ট কলোনি সাঁতরাগাছি স্টেশন চত্বরের বাসিন্দারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে আহতকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাওড়া জেলা হাসপাতালে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভরতি ওই টোটো চালক। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ৷

বেশ কয়েকদিন ধরেই এলাকায় চোরের উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল এলাকাবাসী। সন্দেহের বশে টোটো চালককেই মারধর করা হয়। জানা গিয়েছে, চুরির আতঙ্কে ওই টোটো চালককে লোহার রড, বাঁশ, উইকেট, পাঞ্চার দিয়ে নৃশংসভাবে মারধর করা হয়। এরপর ওই টোটো চালকের চোখে লঙ্কার গুঁড়ো ছিটিয়ে দেওয়া হয়। মালিকের টোটো ভাড়ায় চালিয়ে কোনওমতে দিন গুজরান করেন সাঁতরাগাছির ৩ নম্বর সুলতানপুরের বাসিন্দা টোটো চালক ফিরোজ উদ্দিন মোল্লা (২৬)। বুধবার রাত ৮টা নাগাদ শিব তলায় টোটো গ্যারেজ করে বাইরে বেরতেই চোর সন্দেহে তাঁর উপরেই ঝাঁপিয়ে পড়ে একদল লোক।

প্রতীকী ছবি

ফিরোজউদ্দিন বলেন, অনেক জন মিলে আমায় মারতে শুরু করে। আমি চোর নই টোটো চালাই বলতেও রেহাই মেলেনি। আমি মাটিতে পড়ে গেলে আমায় বাঁশ, লাঠি, উইকেট দিয়েও মারা হতে থাকে। এরপরে আমাকে একটা ক্লাবের ভিতরে নিয়ে গিয়েও মারা হয়। চোখে দেওয়া হয় লঙ্কা গুঁড়ো। তারপর থেকেই বাঁ চোখে কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।

আহত টোটো চালকের বাবা নবাবুদ্দিন মোল্লা জানান, ফিরোজ উদ্দিন তার মেজো ছেলে। এদিন তাঁকে যেভাবে মারা হয়েছে তা অমানবিক। তিনি দোষীদের কঠোর শাস্তি চান। এই ঘটনায় এলাকার বেশ কয়েকজন বাসিন্দার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে পরিবারের তরফ থেকে।

ফাইল ছবি

প্রসঙ্গত গত কিছুদিন ধরেই ওই এলাকায় চোরের আতঙ্ক গ্রাস করেছে এলাকাবাসীদের। অভিযোগ, অন্ধকার নামলেই কে বা কারা কখনও দরজার কড়া নেড়ে দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। কখনও বা ছাদের টালি নাড়িয়ে দিয়ে যাচ্ছে। বাইরে বেরিয়ে দেখা পাওয়া যাচ্ছে না কাউকে। দিনের পর দিন এই ধরনের ঘটনার ফলে এলাকার মানুষ রাত পাহারার ব্যবস্থা করেছেন। অন্ধকার নামলেই লাঠিসোঁটা নিয়ে রাস্তায় টহল দিচ্ছেন তাঁরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।