মুম্বই: বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে মমতার হয়ে লড়েছেন তিনি। মমতার জয়ের অন্যতম কাণ্ডারীও ছিলেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) বিধানসভা ভোটে তাঁরই পরামর্শ নিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এবার সেই প্রশান্ত কিশোরই (Prashant Kishore) সাক্ষাৎ করলেন এনসিপি (NCP) প্রধান শরদ পাওয়ারের (Sharad Pawar) সঙ্গে। দক্ষিণ মুম্বইয়ে (South Mumbai) পাওয়ারের বাসভবনে গিয়ে দেখা করেন তিনি। তারপর থেকেই শুরু হয় জল্পনা। তাহলে কি ২০২৪ লোকসভা (Loksabha) নির্বাচনে বৃহত্তর বিরোধী জোট গড়ার দিকে এগোচ্ছে? সেই লক্ষ্যেই কি এই সাক্ষাৎ? যদিও এসব জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন স্বয়ং প্রশান্ত কিশোর। তিনি জানিয়েছেন এটা নিছকই সৌজন্য সাক্ষাৎ।

এই সাক্ষাৎকে ঘিরে কেবল একটি নয়, একাধিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, ২০২২ উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন (UP Election) এবং ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচনে জোট বেঁধে কিভাবে বিজেপি-কে হারানো যায়, তা নিয়েই এই বৈঠক। অনেকের মতে, বিজেপি বিরোধী জোট গঠন হলে, সেই জোটের মুখ কে হবে তা নিয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। কারণ, বিরোধী জোট হলে তাতে একাধিক বড় মুখ রয়েছে। যারা সকলেই নেতৃত্ব দিতে সক্ষম।

জানা যায়, এদিন সকাল সাড়ে ১০ নাগাদ শরদ পাওয়ারের (Sharad Pawar) বাড়িতে যান প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishore)। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ দুজনের মধ্য়ে আলোচনা চলে। রাজনৈতিক মহল এই সাক্ষাতের পিছনে রাজনীতির গন্ধ পেলেও, প্রশান্ত কিশোর জানাচ্ছে এটি সৌজন্য সাক্ষাৎ। কয়েকদিন ধরেই শরদ পাওয়ারের শরীরে বেশ খারাপ। তার সঙ্গে বিভিন্ন মহলের লোক দেখা করতে আসছেন। তাঁর বাড়িতে হাজির হয়ে শরীরের খোঁজ নিচ্ছেন অনেকে। শরদ পাওয়ারের ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে খবর, প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে আজ লাঞ্চ করারও কথাও রয়েছে শরদ পাওয়ারের।

প্রসঙ্গত, পলিটিক্যাল স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসাবে প্রশান্ত কিশোর একাধিক দলের হয়ে কাজ করেছেন। তিনি একসময় নরেন্দ্র মোদীর হয়েও লড়াই করেছিলেন। এছাড়াও জগনমোহন রেড্ডি, ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) মত তাবড় তাবড় নেতা-নেত্রীদের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তাঁর সাফল্যও বেশ নজরকাড়া।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.