তীব্র ব্যস্ততায় সময় কাটছে জুনিয়র বচ্চন এর। নেটফ্লিক্স-এ অনুরাগ বসুর পরিচালনায় মাল্টি স্টারার ফিল্ম ‘লুডো’ মুক্তির পর অভিষেক বচ্চন আবার পরিচালকদের পছন্দের শিরোনামে। তবে ষ্টারডামের পেছনে যে অভিষেক বিরাজ করে সে কিন্তু একজন ফ্যামিলি ম্যান অভিষেক। কেন বলছি !! তিষ্ঠ মশাই,সেই কথাতেই আসছে।

গতকাল ৪৫–এ পা দিলেন অভিষেক বচ্চন।জন্মদিনের দিনেও শুটিং-টা ম্যান্ডেটরি ছিলো তাঁর ‘টু ডু’ লিস্টে। অবশ্য, ফিল্মি কেরিয়ার শুরু করার পর থেকে তাঁর কোনও জন্মদিনই শুটিং–ছাড়া কাটেনি।এই বছরও সকালটা শুটিং করে উনি বিকেলে উড়ে গিয়েছিলেন হায়দ্রাবাদ-এ স্ত্রী ও মেয়ের কাছে।কারণ, ঐশ্বর্যা এখন হায়দ্রাবাদে মণি রত্নমের একটি নতুন ছবির শুটিং-এ ব্যস্ত । মেয়ে আরাধ্যাও মায়ের কাছেই আছে। তাই মা ও মেয়ের আবদার রাখতে অভিষেকও পৌঁছলেন সেখানে।গতকাল জন্মদিনের রাতে বার্থ ডে বয় অভিষেক বচ্চনকে ও মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন ইনস্টাগ্রামে ‘হ্যাপি ফ্যামিলি’–র ছবি পোস্ট করে ক্যাপসন দিয়ে লিখেছেন,“ খুশি এবং সব সময় ভালবাসি।” অভিষেক পরেছেন প্যাস্টেল রঙের একটা সোয়েট টি–শার্ট। ঐশ্বর্যার পরণে ছিল গোলাপি রঙের ড্রেস ।

ডিসেম্বরেই শুটিং সারতে কলকাতাতে এসেছিলেন ছোটে বচ্চন। সিনেমার নাম ‘বব বিশ্বাস’। শাহরুখ খান এবং সুজয় ঘোষ প্রোডাকশনের –এর এই ছবির পরিচালক সুজয় ঘোষের মেয়ে। এই ছবির নাম ঘোষণার পর থেকেই তা নিয়ে দর্শকদের আগ্রহের অন্ত ছিলো না.কারণ,কাহানি সিনেমায় বব বিশ্বাস মানে সেই শান্ত নিরীহ নম্র খুনীর চরিত্রে অভিনেতা শাশ্বত চ্যাটার্জির অভিনয় এখনও দর্শকদের মনে লেগে আছে। আর এবার যখন সেই বব বিশ্বাস চরিত্রকে নিয়েই যখন সিনেমা, তখন সবার উৎসাহ দেখে কে!!

২২ শে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে পরিচালক তুষার জলটার প্রথম ছবি ‘দশভি’ র শুটিং। যেখানে অভিষেক বচ্চন অশিক্ষিত, দুনীর্তিগ্রস্থ মুখ্যমন্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করবেন।এই মুখ্যমন্ত্রী এস এস সি ফেল। রাজনীতির ক্ষমতার সাথে সমাজে শিক্ষার যোগ নিয়ে ‘দশভি’ আসলে একটি পলিটিক্যাল কমেডি।বিষয়বস্তু,ভাবনা,চরিত্রায়ন নিয়ে বারংবার তুষার জলটা এবং প্রযোজক দিনেশ বিজনের সঙ্গে বেশ কয়েক বার মিটিং করেছেন অভিষেক।

অভিষেকের ঝুলিতে আসন্ন যা আছে তা হলো ‘বিগ বুল আন্ডার হিস কিটি’ যা খুব শীঘ্রই দেখা যাবে একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে । আবার অন্যদিকে ১৩ বছর পর আবার জুটি বাঁধছেন জন আব্রাহাম এবং অভিষেক বচ্চন। একটি মালায়ালম ছবির হিন্দি রিমেকে দু’জনকে আবার একসঙ্গে দেখা যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.