এই মুহূর্তে সামাজিক দূরত্ব আমাদের কাছে কতটা জরুরি হয়ে পড়েছে তা আমরা সকলেই জানি। একটি ভাইরাস আমাদের মধ্যেই কতজনের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে মুহূর্তের মধ্যেই তার খোঁজও আমরা পাচ্ছি না।

তবে এ মুহূর্তে শিশুরা সবথেকে বেশি সংকটের মধ্যে রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই তারা নিজেদের সুরক্ষা নিতে পারে না।

কিন্তু সে ক্ষেত্রে তাদের সুরক্ষা প্রদান করতে বিশেষ ভূমিকা নিতে হবে অভিভাবকদের। নতুন গবেষণা বলছে যে শিশুদের তার আপনজনেরা কতটা স্নেহ করবেন সেটার একটি নির্দিষ্ট পরিমাপ রয়েছে।

এর বাইরে বেরোলেই শিশুর ক্ষতি হতে পারে। শিশুদের স্নেহ করার (cuddling) সঠিক পদ্ধতি হলো তাদেরকে একেবারেই গায়ের জোরে আলিঙ্গন (cuddling) করবেন না।

আরো পোস্ট- আপনার অভিভাবক করোনাক্রান্ত! পরিস্থিতি কীভাবে সামলাবেন একা

জাপানের একটি বিশেষজ্ঞ দল এই নিয়ে গবেষণা চালিয়েছে। তারা দেখেছে যে স্নেহ করার বিভিন্ন ধরনের স্নেহের (cuddling) কি প্রভাব পড়ে শিশুদের উপরে।

শুধু তাই নয় পরিজন এবং অপরিচিতরা তাদের স্নেহ করলে তার কি প্রভাব পড়ে তাদের উপর সেটাও সেই গবেষণায় দেখা হয়েছে। শিশুদের হার্ট রেট (heart rate) এবং প্রাপ্ত বয়স্কদের হাতে প্রেসার সেনসরকে (pressure sensor) কাজে লাগিয়ে এই পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

এক্ষেত্রে শিশুদেরকে কোলে নেওয়া, আলতোভাবে আলিঙ্গন করা (cuddling) এবং জোরে আলিঙ্গন করার মধ্যে যে পার্থক্য সেটাই দেখতে চেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ওই গবেষণা থেকে যে ফল পাওয়া গেছে তাতে দেখা গেছে যে তাদের শুধুমাত্র কোলে নিলে তাদের যে আনন্দ হয় তার থেকে বেশি স্বস্তি পায় তাদের আলতোভাবে আলিঙ্গন করলে। তবে সেই স্বস্তি কিছুটা কমে যায় যখন তাদের গায়ের জোরে আলিঙ্গন করা হয় বা জড়িয়ে ধরা হয়।

২০ সেকেন্ডের বেশি শিশুদের আদর করতে মানা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা জানিয়েছেন যে তারা দেখেছেন এক মিনিট বা তার থেকে বেশি সময় ধরে শিশুদের জড়িয়ে ধরলে তারা তাতে রুষ্ট হয়।

১২৫ দিনের কম বয়সের শিশুদের ক্ষেত্রে তার পরিচিত অভিভাবকদের কাছ থেকে আলিঙ্গন পাওয়া এবং অপরিচিত কোন মহিলার কাছ থেকে আলিঙ্গন পাওয়ার মধ্যে পার্থক্য খুঁজে পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সে ক্ষেত্রে তাদের অভিভাবকরা তাদের জড়িয়ে ধরলে বেশি পায় শিশুরা।

তাই সঠিক স্নেহ করার পদ্ধতি হলো আলতোভাবে শিশুদের জড়িয়ে ধরা। তবে এই গবেষণায় আরেকটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন যে এই আলত স্নেহে সে শুধু যে শিশুদের লাভ হয় তা নয়। শিশুদের এভাবে জড়িয়ে ধরার মাধ্যমে মানসিক শান্তি পান তার অভিভাবকেরাও।

অক্সিটোসিন হরমোন (oxytocin hormone) ক্ষরিত হয় এই সময় যেটিকে অনেক সময় “লাভ হরমোন” (love hormone) বলা হয়। যে কোন ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সংস্পর্শ হলে এই হরমোন ক্ষরিত হয় যা আমাদের মানসিক চাপ থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

সেইসঙ্গে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.