নয়াদিল্লি: কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন নেওয়ার পরও আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। তবে তার হার অনেকটাই কম। সম্প্রতি এ নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। দেখা গিয়েছে যাঁরা কোভ্যাক্সিন নিয়েছেন তাঁদের মধ্যে ০.০৪ শতাংশ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। অন্যদিকে যাঁরা কোভিশিল্ড নিয়েছেন তাঁদের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ০.০৩ শতাংশ।

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের পক্ষ থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। আইসিএমআরের ডিরেক্টর জেনারেল ড. বলরাম ভার্গব বলেছেন, ভ্যাকসিন নিয়েছেন এমন ১০ হাজার জনের মধ্যে ২ থেকে ৪ জন করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। নীতি আয়োগের সদস্য জ. ভি কে পল বলেছেন, যাঁরা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন তাঁদের সংক্রমিক হওয়ার সংখ্যা অত্যন্ত অল্প। যাঁরা ভ্যাকসিনেশনের পরও আক্রান্ত হচ্ছেন তাঁদের থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত দেখা গিয়েছে করোনা রোধে কোভিশিল্ড ৭০ শতাংশ কার্যকর। অন্যদিকে কোভ্যাক্সিনের কার্যকারিতা ৮১ শতাংশ। দুটি ভ্যাকসিনই দুটি করে ডোজ নিতে হয়। দু’ক্ষেত্রেই ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় নেওয়ার ১০ থেকে ১৫ দিন পরে দেহে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে।

এদিকে দেশজুড়ে আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি করেছে করোনা। পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন না থাকার অভিযোগ উঠেছে রাজ্য়গুলির তরফে। করোনা ভ্য়াকসিনের জন্য জোরকদমে শুরু হয়েছে উৎপাদন। এরই মধ্যে জানা গেল কোভিশিল্ডের দাম আগের থেকে অনেকটাই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১ মে থেকে বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে কোভিশিল্ডের একটি ডোজের দাম হবে ৬০০ টাকা। বর্তমানে এই ভ্যাকসিনে একটি ডোজের দাম ২৫০ টাকা। কোভিশিল্ড নেওয়ার ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া বাধ্যতামূলক। সেক্ষেত্রে যারা প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তাঁদের দ্বিতীয় ডোজের জন্য অনেকটাই খরচ করতে হবে।

কেন্দ্রকে ৫০ শতাংশ ভ্যাকসিন বিক্রি করার পর খোলা বাজারে ও রাজ্য সরকারগুলিকে কোভিশিল্ড বিক্রির করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এরপরই সেরাম ইনস্টিটিউটের তরফে ঘোষণা করা হল রাজ্য সরকারগুলিতে তারা ৪০০ টাকায় কোভিশিল্ড বিক্রি করবে। অন্যদিকে বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে এই ভ্যাকসিন বিক্রি হবে ৬০০ টাকায়। তবে কেন্দ্রকে আগের দামেই ভ্যাকসিন বিক্রি করা হবে। এর পর যদি কোনও হাসপাতাল সরকারের থেকে প্রাপ্ত ভ্যাকসিন ২৫০ টাকায় বিক্রি করতে চায় তবে সেগুলি বাজেয়াপ্ত করা হবে। এই ঘোষণার পর যে সব রাজ্যগুলি কেন্দ্রের থেকে কোভিশিল্ড পাচ্ছিল তারা সরাসরি নির্মাতাদের থেকে এই ভ্যাকসিন কিনতে পারবে। প্রসঙ্গত সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল ভ্য়াকসিন নির্মাতাদের ভ্যাকসিনের দাম স্পষ্টভাবে জানাতে হবে। এরপরই সেরাম ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা করা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.