ম্যাঞ্চেস্টার: রবিবার ইন্ডিয়ান সুপার লিগে পয়েন্ট টেবলে শীর্ষে শেষ করে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে যোগ্যতাঅর্জন করেছে মুম্বই সিটি এফসি৷ সোমবার ভারতীয় ক্লাবের সাফল্যকে ‘অবিশ্বাস্য অ্যাচিভমেন্ট’ অ্যাখ্যা দিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড কোচ পেপ গুয়ার্দিওয়ালা৷ ম্যাঞ্চেস্টার সিটি-র পেরেন্ট কোম্পানি সিটি ফুটবল গ্রুপের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে আইএসএলে অন্যতম সফল দল মুম্বই সিটি এফসি৷

আরব সাগরের তীরে ডুবেছে বাগানের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের তরী। সুপার সানডে’র দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাম্বোলিমে সার্জিও লোবেরার মুম্বই সিটি এফসি’কে আটকে দিতে পারলেই লিগ শিল্ড বিজয়ীর তকমা পেত এটিককে মোহনবাগান৷ কিন্তু স্বপ্নপূরণ হয়নি কলকাতার ক্লাবটি। মুম্বই সিটি এফসি’র কাছে ০-২ গোলে হেরে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার যোগ্যতা যঅর্জনে ব্যর্থ হয় সবুজ-মেরুন।

এদিন মুম্বই সিটি এফসি-র সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানান কিংবদন্তি কোচ ওয়ার্দিওয়াল৷ ম্যাঞ্চেস্টার সিটি-র ম্যানেজার সোমবার বলেন, ‘অবিশ্বাস্য সাফল্য৷ এটা সিএফজি ফ্যামিলির অংশ৷ এবার প্লে-অফ৷ আশা করি, ওরা ভালো ফল করবে৷ সকলকে অভিনন্দন৷ প্রতিটি লিগই কঠিন৷ জেতাটা কৃতিত্বের৷’ ২০১৯ সালে মুম্বই সিটি এফসি-র ৬৫ শতাংশ শেয়ার কিনে নেয় আবু ধাবি ইউনাইটেড গ্রুপ৷

রবিবার হাইভোল্টেজ ম্যাচে প্রথমার্ধেই দেওয়াল লিখনটা পরিষ্কার করে ফেলেছিল মুম্বই সিটি এফসি। লড়াই সেয়ানে-সেয়ানে হলেও বাগানকে টেক্কা দিয়ে প্রথমার্ধেই জোড়া গোল তুলে নিয়েছিল আইল্যান্ডাররা। প্রথম গোল ম্যাচের ৭ মিনিটে। আহমেদ জাহৌর ভাসানো ফ্রি-কিক থেকে সুযোগ সন্ধানী হেডারে মুম্বইকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ডিফেন্ডার মোর্তাদা ফল। প্রথম গোলের ঘা শুকোতে না-শুকোতেই বড়সড় ধাক্কা নেমে আসে বাগানে। ১৯ মিনিটে হ্যামস্ট্রিং’য়ে চোট পেয়ে মাঠে ছাড়েন লোপেজ হাবাসের দলের রক্ষণের স্তম্ভ সন্দেশ ঝিঙ্গান। পরিবর্তে প্রবীরকে মাঠে নামান বাগান কোচ। কিন্তু ফলাফল বদলায়নি৷

লিগের একেবারে শেষ ম্যাচের আগে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে এক নম্বের ছিল মোহনবাগান। ৩৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিল মুম্বই সিটি। শেষমেশ সিটি ২-০ গোলে ম্যাচ জেতায় মোহনবাগানের মতো তাদেরও সংগৃহীত পয়েন্ট দাঁড়ায় ৪০। তবে দুই লেগেই বাগানকে পরাজিত করা মুম্বইয়ের গোলপার্থক্য বেশি হওয়ায় তারা এক নম্বরে থেকে লিগ শেষ করে এবং লিগ চ্যাম্পিয়নের শিল্ড দখল করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.