saraswati

বাঁকুড়া ও জলপাইগুড়ি : রাত পোহালেই বাণী বন্দনায় মাতবে আপামর বঙ্গবাসী। ব্যতিক্রম নয় লাল মাটির জেলা বাঁকুড়াও। আর এই জেলারই কালী-কার্তিকের দেশ বলে পরিচিত অন্যতম প্রাচীণ পুর শহর সোনামুখীতে পূজিতা হবেন ২১ ফুটের সরস্বতী।

শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। স্থানীয় কৃষ্ণবাজারের অ্যাকশান কমিটির পুজো এবার ১০ বছরে পড়লো। একই সঙ্গে চলতি ২০২১ সালকে মাথায় রেখে এবার ৮০ হাজার টাকা বাজেটে দীর্ঘ ২১ ফুটের সরস্বতী প্রতিমা তৈরীর উদ্যোগ নিয়েছিলেন অ্যাকশান কমিটির সদস্যরা। সেই মোতাবেক এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। পুজো উপলক্ষ্যে নরনায়ণ সেবা সঙ্গে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বিপুল আয়োজন।

পুজো কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, ২০১২ সালে শুরুর সময় থেকে প্রতি বছর প্রতিমার উচ্চতা এক ফুট করে বাড়ানো হয়। এবার সেই হিসেবে ২১ ফুট। আগামী বছর ২০২২ এ ২২ ফুট, ২৩ এ ২৩ ফুট, ২৪ সালে ২৪ ফুট আপাতত এইভাবে প্রতিমার উচ্চতা বাড়তেই থাকবে।

আয়োজক অ্যাকশান কমিটির সভাপতি রাহুল বাউরী বলেন, আমরা সব সময় মানুষের পাশে, মানুষের সাথে থাকি। এখনো পর্যন্ত সোনামুখী শহরে সর্ববৃহৎ ও জেলায় সম্ভবত এতো বড় সরস্বতী প্রতিমা তৈরী হয়নি বলে তিনি জানান।

২১ ফুটের সরস্বতী প্রতিমা ঘিরে আগ্রহ বাড়ছে সোনামুখীর মানুষের, আগ্রহ বাড়ছে জেলাবাসীর। সবমিলিয়ে আট থেকে আশি এখন সবার আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে শ্বেতপদ্মাসনা শ্বেত পুষ্পোপশোভিতা দেবী সরস্বতীর এই ২১ ফুটের প্রতিমা।

এদিকে, সরস্বতী পুজোর আগে সোমবার উত্তরের জেলা জলপাইগুড়ি শহরের বিভিন্ন বাজারে ভিড় জমে উঠেছে ক্রেতা বিক্রেতাদের। তবে বিক্রি সেভাবে নেই বলেই জানাছেন বিক্রেতারা। বাজারের ফর্দ নিয়ে সকাল সকাল বেরিয়ে পড়লেও সবজি থেকে ফল সবকিছুই যেন আগুন। ছোটো করেও পুজোর যোগার করতে গিয়েও পকেট গড়ের মাঠ হওয়ার অবস্থা সাধারণ মানুষে৷ তবে এবছর করোনা আবহে স্কুল গুলিতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে সরস্বতী পুজো করা হবে বলে জানান বাজার করতে আসা ক্রেতারা।

তাঁরা বলেন, “এবছর বাজারে সবকিছুর দাম বেশি। সবজি থেকে শুরু করে ফলমূল। প্রতিমার দামও কিছুটা বেড়েছে। যদিও স্কুল গুলিতে এবছর সরস্বতী পুজোর বাজেট অনেক কম করা হয়েছে করোনার জন্য।”

এবছর সরস্বতী প্রতিমা ছোট থেকে বড়ো ১৫০, ২৫০, ৩৫০ , ৫০০, ৬৫০ টাকা, পলাশ ফুল ১০টাকা, আপেল ১৫০কেজি, আঙ্গুর ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি , শশা ৪০টাকা কেজি, খাগের কলম দুটো ৫ টাকা, কেশর আলু ৮০টাকা কেজি, নারকেল কুল ৮০টাকা কেজি, কমলালেবু ১৫- ২০টাকা এক পিস, পেয়ারা১০০টাকা কেজি, তরমুজ ৫০টাকা কেজি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।