নয়াদিল্লি: দ্বিতীয় দফার করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে ১ মার্চ থেকে। এই দফায় ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের দেওয়া হবে ভ্যাকসিন। এর পাশাপাশি ৪৫ বছরের উপর যাদের বয়স তারা যদি অসুস্থ হন অর্থাৎ কো-মর্বিড পরিস্থিতিতে থাকেন তবে তাদেরও ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে সরকার। এই কো-মর্বিডের তালিকায় ২০টি শারীরিক সমস্যাকে রাখা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে হৃদযন্ত্রের সমস্যা। এক বছরের মধ্যে কোনও ব্যক্তি যদি হার্ট ফেলের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হন তবে তাঁদের করোনা টিকা দেওয়া হবে। কেন্দ্রের তরফে এই সংক্রান্ত একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

দেশজুড়ে করোনা ভ্য়াকসিন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ১৬ জানুয়ারি। প্রথম পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মী ও ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কারদের টিকা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি ও শারীরিক অসুস্থতা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের করোনা টিকা দেওয়ার কথা স্থির হয়। কো-মর্বিডিটির ২০টি তালিকা সরকারের তরফে প্রকাশ করা হয়েছে। যার মধ্যে গত এক বছরে হার্ট ফেলের সমস্যা, হৃদযন্ত্রের অন্য কোনও সমস্যা, ডায়াবিটিস, হাইপারেনশন, স্ট্রোক, কিডনি/ লিভার/ স্টিম সেল ট্রান্সপ্ল্যান্ট ইত্যাদি একাধিক বিষয়। সরকারি হাসপাতালে টিকা পাওয়া যাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। এছাড়া প্রাইভেট হাসপাতালে আয়ুস্মান ভারত সহ অন্যান্য সরকারি স্বাস্থ্য যোজনার আওতায় মিলবে ভ্যাকসিন। তবে সেক্ষেত্রে চার্জ লাগবে।

সরকারের তরফে ভ্যাকসিনের প্রতি ডোজের দাম ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের ১০ হাজার সরকারি হাসপাতালে ও ২০ হাজার বেসরকারি হাসপাতালে টিকা দেওয়া হবে। তবে এর জন্য গ্রহীতাকে আগে থেকে অ্যাপয়েনমেন্ট নিতে হবে। টিকাকরণের সময় বয়সের প্রমাণপত্র (আধার কার্ড বা EPIC কার্ড) দেখাতে হবে। এছাড়া কো-মর্বিডিটি থাকলে তার তথ্যও দেখাতে হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, করোনর দ্বিতীয় পর্বের টিকাকরণের আগে কো-উইন ২.০ অ্যাপটি ডাউনলোড করলে সুবিধা মিলবে। এছাড়াও আরোগ্য সেতুর মতো অ্যাপের মাধ্যমেও করোনার টিকা নিতে আগাম নাম নথিভুক্ত করা যাবে। এই অ্যাপগুলির মাধ্যমেই সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে দ্বিতীয় পর্যায়ে করোনার টিকাকরণ কবে হবে এবং তার সময় জানা যাবে। টিকাকরণের এই পর্যায়ে দেশের বিপুল নাগরিক অংশগ্রহণ করতে পারবেন। সাধারণ নাগরিক ছাড়াও ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার যারা প্রথম পর্বের করোনার টিকা কোনও কারণে নিয়ে উঠতে পারেননি, তাঁরাও টিকা নিতে পারবেন। প্রতিটি রাজ্যকে তাদের সাধ্যমতো করোনার টিকাকেন্দ্র তৈরি করতে পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র। বেসরকারি হাসপাতালগুলিও যাতে টিকাকরণের কর্মযজ্ঞে সমানভাবে অংশ নিতে পারে, সে ব্যাপারে তৎপরতা নিতে রাজ্যগুলিকে পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।