স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট: পাখি বাঁচাতে কোমর বেঁধে নামলেন শহরের মানুষজন। বিজ্ঞানের অগ্রগতি ও নগরোন্নয়ন কোপে পড়ে ধ্বংস হচ্ছে সবুজ। বিপদে পড়েছে পাখিরা। এই পরিস্থিতি থেকেই পাখিদের রক্ষা করতে এবং সচেতনতা বাড়াতে নামলেন মানুষ।

পাখিকুল প্রতিটি মুহুর্তে নিজেদের বিপর্যয়ের মধ্যে দিয়ে মানবজাতিকে ইঙ্গিত দিয়ে চলেছে যে পৃথিবী ধংসের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। অথচ মানুষ আজও জীবনের ইঙ্গিতবাহী পৃথিবীর সুন্দর এই প্রানিকুলকে বাঁচিয়ে রাখার ব্যাপারে সম্পূর্ণ ভাবে উদাসীন। যার প্রমান, আজ পৃথিবীর অন্য সমস্ত বিষয়ের আন্তর্জাতিকস্তরে বিশেষ দিবস থাকলেও পাখিদের ক্ষেত্রে তা নেই।

২০১২ সাল থেকে ১২ ডিসেম্বর দিনটি পালন করে আসছেন বালুরঘাটের মানুষ। মঙ্গলবারও বালুরঘাট ১২ ডিসেম্বর দিনটিকে আন্তর্জাতিক পাখি দিবস হিসাবে ঘোষনার দাবি নিয়ে তাঁরা এদিন শহরের রাস্তায় শোভাযাত্রা বের করেন ও দীপালীনগর এলাকায় পাখিদের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনার আয়োজন করেছিলেন তাঁরা।

পাখি প্রেমী ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা: দেবব্রত ঘোষ জানিয়েছেন, “ জাতীয় পর্যায়ে পাখিদের জন্য বিশেষ দিন থাকলেও আন্তর্জাতিক স্তরে তা নেই। সভ্যতা ও পরিবেশকে বাঁচাতে হলে পাখিদের সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোটা খুবই জরুরি।” তিনি আরও বলেন যে, “বিজ্ঞান একদিকে যেমন অগ্রগতি ঘটাচ্ছে তেমনই ধ্বংসও ডেকে আনছে। পাখিরাই হলো জীবনের একমাত্র ইঙ্গিতবাহী। পরিবেশের উপর প্রতিমুহুর্তে যে ঘাত গুলি আসছে তার মাধ্যমে পাখিরা বুঝিয়ে দিচ্ছে যে একটা বিপর্যয়ের পরিবেশ তৈরী হচ্ছে। যার প্রথম বলি হতে হচ্ছে পাখিদেরই।”

মানুষ আজও এদের ব্যাপারে সম্পূর্ণ উদাসীন।অবিলম্বে পাখিদের ব্যাপারে মানুষের মধ্যে সচেতনতা জাগিয়ে তুলতে এবং তাদের সংরক্ষণের উদ্যোগ না নেওয়া হলে মানব সভ্যতার ধ্বংস অবশ্যম্ভাবী।